প্রার্থীর বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করতেই দলের অন্দরে কোনঠাসা জেলা সভাপতি

132

আলিপুরদুয়ার: দলের তরফে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই একপ্রকার বিরোধীতার সুর চড়ান আলিপুরদুয়ার জেলা সভাপতি গঙ্গা প্রসাদ শর্মা। অভিযোগ তুলেছিলেন দল কোনও প্রকার মতামত না নিয়েই প্রার্থী ঘোষণা করেছে। এতেই একপ্রকার দলের অন্দরে কোনঠাসা হয়ে পড়লেন খোদ জেলা সভাপতি।

আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আলিপুরদুয়ের বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির প্রার্থী হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে দেশের অন্যতম একজন অর্থনীতিবিদ অশোক লাহিড়ীকে। উল্লেখ্য, ওই আসনে দাবিদার ছিলেন খোদ জেলা সভাপতি গঙ্গা প্রসাদ শর্মা। তালিকায় ছিলেন আরও অনেকে। তবে, সকলেই অবশ্য দলের তরফে প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই ক্ষোভ প্রশমিত হয়। উচ্ছ্বসিত দলের নিচুতলার কর্মী-সমর্থক থেকে শুরু করে আমজনতাও। ইতিমধ্যে প্রার্থীর হয়ে শুরু হয় ভোট প্রচার থেকে শুরু করে দেওয়াল লিখনের কাজ। যদিও খোদ প্রার্থী এখনও নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে এসে পৌঁছাননি।

- Advertisement -

প্রার্থী তালিকা ঘোষণা হতেই জেলা সভাপতি গঙ্গা প্রসাদ শর্মা রবিবার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন আগামীতে দলের জেলা সভাপতির পদে আদৌ থাকবেন কিনা। সোমবার বিকেল চারটের মধ্যে সাংবাদিক বৈঠক করে বিষয়টি স্পষ্ট করার কথা উল্লেখ করেছিলেন তিনি। যদিও এদিন নিজের সিদ্ধান্ত থেকে পিছু হটেন। তিনি জানান, রাজ্য নেতৃত্বের নির্দেশে আজ কোনও সিদ্ধান্ত নেব না। রাজ্য নেতৃত্ব আমাকে একদিন চুপচাপ থাকতে বলেছে। যা বলার পরে বলব।

গঙ্গাপ্রসাদ শর্মা আলিপুরদুয়ার আসনের প্রার্থী হওয়ার অন্যতম দাবিদার ছিলেন। দল তাকে প্রার্থী না করলেও আলিপুরদুয়ার আসনের আরেক দাবিদার গুণধর দাস প্রার্থী হতে না পারলেও দলের সিদ্ধান্তে বেশ খুশি তিনি।গুণধর দাস বলেন, ’অশোকবাবুর মত একজন দেশের অন্যতম অর্থনীতিবীদ আমাদের আসনের প্রার্থী এটা খুশির বিষয়। তাঁর জয় শুধু এখন সময়ের অপেক্ষা। উনি জয়ী হলে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদও পেয়ে যাবেন। উত্তরবঙ্গের উন্নয়নে তাঁর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে। আমরা প্রার্থীর হয়ে ইতিমধ্যেই নির্বাচনী প্রচার শুরু করে দিয়েছি তাতে ভালো সাড়া মিলতে শুরু করেছে।

জেলা সাধারণ সম্পাদক সুমন কাঞ্জিলাল বলেন, ‘আমরা এত ভালো একজন প্রার্থী পেয়েছি, যার হাত ধরেই আলিপুরদুয়ার তথা উত্তরবঙ্গের বাস্তব উন্নয়ন সম্ভব হবে।’