আগামী বছর বিজেপির যুব সংগঠন বলে কিছুই থাকবে না দাবি কুন্তলের

251

ফাঁসিদেওয়া, ৩১ জুলাইঃ ২০২১ সালে বিধানসভা ভোটের আগেই বিজেপির যুব সংগঠন বলে কিছুই আর থাকবে না। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের নব নিযুক্ত দার্জিলিং জেলা সভাপতি কুন্তল রায় শুক্রবার বিধাননগরে এসে এমন কথাই বললেন। জেলা সভাপতি আরও জানান, করোনা পরিস্থিতিতে কেন্দ্র সরকারের তরফে চিকিৎসা কেন্দ্র গড়ে তোলা উচিত। কিন্তু, বিজেপি রাম মন্দির তৈরি নিয়ে রাজনীতি করে চলেছে। যুব সমাজ এই সব বুঝে গিয়েছে। নবীন প্রজন্ম তৃণমূল যুব কংগ্রেসেই ভরসা রেখেছে বলে কুন্তল রায় দাবি করেন। নতুন দায়িত্ব পেয়ে এই প্রথম ফাঁসিদেওয়া ব্লকে তিনি আসেন। মূলত সংগঠনের পরিস্থিতি এবং কর্মীদের সঙ্গে রাজনৈতিক আলোচনাই মূখ্য ছিল। সেখানে পৌঁছাতেই শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের বিরোধী দলনেতা কাজল ঘোষ তাঁকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। বিধাননগর বাজারে তৃণমূল যুব কংগ্রেসের কর্মীদের নিয়ে মিছিলও করা হয়েছে। পরে, কাজল ঘোষের বাড়িতেই একটি আলেচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় ফাঁসিদেওয়া সাংগঠনিক ১ নম্বর ব্লক তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি মহম্মদ আখতার আলি, বিধাননগর ১ এবং ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান টুলটুলি সরকার ও সুজয় মজুমদার সহ বিশিষ্ট নেতৃত্ব উপস্থিত হয়েছিলেন। বেশ কিছুদিন থেকেই বিধাননগরে তৃণমূল যুব কংগ্রেসে নবীন প্রজন্ম যোগদান করছে। এরইমাঝে সংগঠনের জেলা সভাপতিকে সামনে পেয়ে ভিড়ও বেড়েছিল। এদিনের সভায় গ্রামীণ এলাকায় সংগঠন শক্তিশালী করতে আলোচনা হয়েছে। তৃণমূল যুব কংগ্রেসের প্রচুর নেতা কর্মী যে দলের কাজ প্রায় ছেড়ে দিয়েছেন, সেকথা কুন্তল রায় স্বীকার করে নিয়েছেন। তিনি জানিয়েছেন, পুরোনো কর্মীদের খুঁজে তাঁদের মাঠে নামানো হবে। পাশাপাশি, যারা বিজেপিতে গিয়ে নিজেদের ভুল বুঝতে পরেছেন, তাঁদের নিয়ে মজবুত সংগঠন তৈরি করা হবে। অন্যদিকে, এদিনের সভা থেকে ফাঁসিদেওয়া সাংগঠনিক ২ নম্বর ব্লক তৃণমূল যুব সভাপতি নির্বাচনের প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে। যদিও, ওই পদে নির্বাচনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও গৃহীত হয়নি বলে জানা গিয়েছে।