শেষদিনে শৌচাগারে লুকিয়েছিলেন জেমিসন!

অকল্যান্ড : কেরিয়ারের অষ্টম টেস্টের ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন।

নিউজিল্যান্ড ক্রিকেটকে উপহার দিয়েছেন গর্বের মুহূর্ত। যদিও টেস্ট যুদ্ধের শেষদিনের শেষদিকে উত্তেজনার চাপ থেকে বাঁচতে স্বয়ং লুকিয়েছিলেন বাথরুমে! তিনি প্রথম টেস্ট বিশ্বযুদ্ধের ফাইনালের সেরা ক্রিকেটার কাইল জেমিসন।

- Advertisement -

ডব্লিউটিসি জয়ের স্মারক দণ্ড নিয়ে দেশে ফিরেছেন ব্ল্যাক ক্যাপসরা। কিন্তু স্বপ্নের ঘোর সহজে যাওয়ার নয়। জেমিসন যেমন বলেন, নার্ভাস মুহূর্ত। আমরা ভিতরে বসেছিলাম। টিভিতেই খেলা দেখছিলাম। ফলে বল হওয়ার কিছুক্ষণ পর দেখতে পাচ্ছিলাম। এদিকে প্রতি বলেই ভারতীয় দর্শকদের চিৎকার। রক্তচাপ বাড়াচ্ছিল। তাহলে কি আমাদের উইকেট পড়ছে? পরে দেখি, হয় সিঙ্গল কিংবা আমরা বল আটকে দিয়েছি। খুব কঠিন ওভাবে ম্যাচ দেখা। চাপ কাটাতে মাঝেমাঝে বাথরুমে গিয়ে বসেছিলাম। কারণ ওখানে বাইরের আওয়াজ পৌঁছোবে না। রস ও কেন অবশ্য ঠান্ডা মাথায় চাপ সামলে ম্যাচ ফিনিশ করে ফেরে।

টিম সাউদি আবার মানবিকতার নতুন উদাহরণ রাখলেন। ক্যান্সার আক্রান্ত আট বছরের এক ছোট্ট মেয়ের চিকিৎসার খরচ জোগাতে ফাইনালের জার্সিই নিলামে তুলেছেন। জার্সিতে বিশ্বজয়ী দলের প্রতিটি সদস্যের স্বাক্ষর। ইনস্টাগ্রামে জার্সির ছবি পোস্ট করে নিলামের কথা জানিয়েছেন কিউয়ি পেসার।

২০১৮-য় ক্যান্সার আক্রান্ত ছোট্ট মেয়ে হোলি বিটির কথা জানতে পারেন। তারপর বিভিন্নভাবে পাশে থেকেছেন সাউদি। এবার নিলামে তুলছেন প্রিয় স্মারককেই। ভক্তদের কাছেও এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়েছেন। লিখেছেন, ভারতের বিরুদ্ধে ফাইনালের জার্সি নিলামে তুলেছি। আশাকরি, হোলির চিকিৎসার জন্য কিছুটা হলেও কাজে লাগবে। একজন বাবা হিসেবে এই যুদ্ধে আমি সর্বদা ওদের পাশে আছি। নিলামে ছোটো হোক বড়ো, প্রতিটি দর গুরুত্বপূর্ণ। প্রসঙ্গত, মার্টিন গুপটিলও হোলির চিকিৎসার জন্য নিজের ব্যাট নিলামে তুলেছিলেন।