জীবন পেয়ে অস্ট্রেলিয়াকে বাঁচালেন লাবুসানে

177

ব্রিসবেন: দু’বার ক্যাচ পড়ল। সেই সু্যোগ পুরোপুরি কাজে লাগিয়ে অস্ট্রেলিয়াকে শক্ত ভিতের উপর দাঁড় করিয়ে দিলেন মার্নাস লাবুসানে। তাঁর ১০৮ রানে ভর দিয়ে ব্রিসবেনে চতুর্থ টেস্টের প্রথম দিনে ২৭৪/৫ স্কোর করল অজিরা। চোটে জর্জরিত ভারতের হয়ে সাদা জার্সিতে এদিন অভিষেক হল ওয়াশিংটন সুন্দর ও টি নটরাজনের৷ তবে কুঁচকিতে টান লাগায় মাঠ ছেড়েছেন নভদীপ সাইনি।

বিশ্বের দ্রুততম পিচগুলির অন্যতম ব্রিসবেনের গাব্বা পেসারদের স্বর্গ। তাই এদিন যশপ্রীত বুমরাহকে খেলানোর মরিয়ে চেষ্টা করেছিল ভারতীয় টিম ম্যানেজমেন্ট। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি ফিট হননি। তাতেই সুযোগ পেলেন নটরাজন। অন্যদিকে, সিরিজ থেকে ছিটকে যাওয়া রবীন্দ্র জাদেজার বদলে দলে এলেন সুন্দর। পিঠের ব্যথা না কমায় খেলতে পারলেন না রবিচন্দ্রণ অশ্বীনও৷ তবে তাঁর বদলে একজন পেসার খেলাল ভারত। তাই অভিষেকের বছর তিনেক পর ফের টেস্ট দলে শার্দূল ঠাকুর। অভিষেক ম্যাচে মাত্র ১০ বল করে চোটের জন্য উঠে গিয়েছিলেন তিনি। হনুমা বিহারির বদলে এদিন দলে ফিরলেন ময়ঙ্ক আগরওয়াল।

- Advertisement -

এদিন শুরুতেই দুই উইকেট তুলে অস্ট্রেলিয়াকে ধাক্কা দিয়েছিলেন ভারতের পেসাররা। প্রথম ওভারেই ডেভিড ওয়ার্নারের (৪) উইকেট নেন মহম্মদ সিরাজ। কিছুক্ষণের মধ্যেই আরেক ওপেনার মার্কাস হ্যারিসকে (৫) আউট করেন শার্দূল। কিন্তু এরপর শুরু হয় স্টিভ স্মিথ ও লাবুসানে জুটির লড়াই। সেট হয়ে যাওয়া স্মিথকে ফেরালেন সুন্দর। ম্যাথু ওয়েডকে (৪৫) ফিরিয়ে নিজের প্রথম টেস্ট উইকেটটি পেলেন নটরাজন। লাবুসানেকেও ফেরালেন তিনি। দিনের শেষে ক্যামেরন গ্রিন (২৮) ও টিম পেইন (৩৮) অপরাজিত আছেন।

চলতি সিরিজের শেষ ম্যাচে একেবারেই অনভিজ্ঞ বোলিং নিয়ে নেমেছে ভারত। বিপক্ষের বোলিং ইউনিটের চার প্রধান সদস্য মিচেল স্টার্ক, জোস হ্যাজেলউড, প্যাট কামিন্স আর নাথান লায়োন লাল বলের ক্রিকেটে মোট ১০১৩ উইকেট পেয়েছেন। সেখানে সিরাজ আর সাইনি মোট খেলেছেন ৩ টেস্ট, নিয়েছেন ১১ উইকেট। সুন্দর আর নটরাজনের অভিষেক টেস্ট, শার্দূলের অভিজ্ঞতা ১০ বলের। ফলে দ্বিতীয় দিন অস্টেলিয়াকে দ্রুত অলআউট না করতে পারনে লাবুসানেকে দুবার সু্যোগ দেওয়াটা ভারতের কাছে বড় ভুল হয়ে উঠবে।