করোনা মোকাবিলায় হলদিবাড়িতে সমন্বয়ের অভাব

ফাইল ছবি

হলদিবাড়ি: করোনা মোকাবিলায় ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর ও ব্লক প্রশাসনের মধ্যে সমন্বয়ের অভাবের অভিযোগ উঠল হলদিবাড়িতে। হলদিবাড়ি শহরে দ্বিতীয় করোনা আক্রান্তের হদিশ মিলতেই বিষয়টি সামনে এসে যায়। এতে অস্বস্তিতে পরে ব্লক প্রশাসন।

পরিস্থিতি সামাল দিতে বুধবার বিকেলে তড়িঘড়ি বৈঠক ডাকেন হলদিবাড়ির বিডিও তথা পুরসভার প্রশাসক সঞ্জয় পন্ডিত। পুরভবনে আয়োজিত বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক অর্ঘ্য রায়প্রধান, বিএমওএইচ তাপসকুমার দাস, হলদিবাড়ি থানার আইসি দেবাশীষ বসু, পুরসভার স্যানিটারি ইন্সপেক্টর শরদিন্দু ঘোষ সহ অন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের কর্মীরা।

- Advertisement -

বিশ্বস্ত সূত্রের খবর, মঙ্গলবার ১১ নম্বর ওয়ার্ডে যে ৬৫ বছরের বৃদ্ধার করোনা রিপোর্ট পজিটিভ আসে, তার কোনও ট্রাভেল হিস্ট্রি ছিল না। তবে তিনি কি করে আক্রান্ত হলেন? এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে নাস্তানাবুদ ব্লক প্রশাসন। তবে এক্ষেত্রে সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল ওই মহিলার হঠাৎ লালার নমুনা সংগ্রহের প্রয়োজনীয়তা দেখা দিল কেন? তার এমন কি উপসর্গ ছিল? আর সন্দেহ দেখা দিলে কেনই বা তাঁকে হোম কোয়ারান্টিনে থাকতে বলা হয়নি?

টেস্টের রিপোর্ট আসতে ৮ দিন সময় লেগেছে। এতদিনে তিনি বহু মানুষজনের সংস্পর্শে আসার একটা সম্ভাবনা থেকেই যায়। তাঁকে এই সুযোগ দেওয়া হল কেন? এতেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক অর্ঘ্য রায়প্রধান। তিনি বলেন, ব্লক স্বাস্থ্য দপ্তর ওই বৃদ্ধার বিষয়ে পুলিশ বা পুর প্রশাসনকে কোন প্রকার অবগত করেননি। সর্বোপরি ওই মহিলার বাড়িটি খুবই ঘনবসতিপূর্ণ এলাকা।

এদিকে সমন্বয়ের অভাবের বিষয়টি প্রকাশ্যে সংবাদমাধ্যমের কাছে স্বীকার করতে চাননি প্রশাসনের আধিকারিকরা। বৈঠক প্রসঙ্গে হলদিবাড়ির বিডিও বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে সমন্বয় বৈঠক করা হয়। সেখানে করোনা মোকাবেলায় কোন কোন দপ্তর কী কী ভূমিকা পালন করবে তা আলোচনা করা হয়। এছাড়াও সরকারি নির্দেশ অনুযায়ী উপসর্গহীন রোগীদের জন্য ‘সেফ হোম’ গঠনের বিষয়ে আলোচনা করা হয়। তবে এটি কোথায় গড়ে তোলা হবে তা এখনও ঠিক করা হয়নি।