নিবারণ দাস, টুঙ্গিদিঘি : পর্যাপ্ত চিকিৎসকের অভাবে ভাটোল প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের চিকিৎসা পরিসেবায় সমস্যা দেখা দিয়েছে। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের স্বাভাবিক পরিসেবা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে কোনো অভিযোগ নেই। তবে চিকিৎসক না থাকার কারণে অনেকেই পরিসেবা না পেয়ে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। স্থানীয় পঞ্চায়েত প্রধান বিষয়টি স্বাস্থ্য দপ্তরের নজরে আনার আশ্বাস দিয়েছেন।

রায়গঞ্জ ব্লকের একেবারে শেষ সীমান্তে বাংলাদেশ সীমান্তের পাশে অবস্থিত ভাটোল পঞ্চায়েত। রায়গঞ্জ থেকে এই অঞ্চলের দূরত্ব প্রায় পঁচিশ কিমি। এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো নয়। এই লাইনে কম গাড়ি চলে। আর তাই রোগীদের চিকিৎসা করাতে রায়গঞ্জ আসতে সমস্যা হয়। এই বিষয়টি মাথায় রেখেই ভাটোল পঞ্চায়েতের ভাটোল হাটের পাশে একটি প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্র তৈরি করা হয়েছিল। এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলার মূল উদ্দেশ্যই ছিল এলাকাবাসীকে সহজেই সুচিকিৎসা পৌঁছে দেওয়া।

- Advertisement -

দীর্ঘদিন ধরেই এলাকাবাসীকে এই স্বাস্থ্যকেন্দ্র থেকে সাধ্যমতো চিকিৎসা পরিসেবা দেওয়া হয়। কিন্তু দিন যত গড়িয়েছে ততই জনসংখ্যা বেড়েছে। পাল্লা দিয়ে রোগীর চাপও বেড়েছে। কিন্তু সেইসঙ্গে তাল মিলিয়ে এখানকার চিকিৎসক সংখ্যা বাড়েনি। য়ার ফলে রোগী এবং তাঁদের পরিজনদের ভীষণ সমস্যার মুখে পড়তে হয়। আর তাই এলাকাবাসীর দাবি, এখানে ডাক্তারের সংখ্যা বাড়ানো হোক। পরিসেবাও উন্নত করা হোক।

এবিষয়ে এলাকার পঞ্চায়ে প্রধান ইউসুফ আলির সঙ্গে কথা বলা হলে তিনি বলেন, আমাদের এই প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রের পরিসেবা মোটামুটি ভালোই। স্বাস্থ্যকেন্দ্রের বিরুদ্ধে সেভাবে কোনো অভিযোগই ওঠে না। বরং রোগীরা চিকিৎসা পরিসেবার প্রশংসাই করেন। তবে এখানে ডাক্তার সংক্রান্ত একটি সমস্যা রয়েছে। মাত্র দুজন ডাক্তারের দ্বারা দীর্ঘদিন ধরেই এই স্বাস্থ্যকেন্দ্রটি চলছে। যার ফলে এখন একটু সমস্যা হচ্ছে। ডাক্তারের সংখ্যা বাড়ানো দরকার। বিষয়টির দিকে স্বাস্থ্য দপ্তর যদি একটু নজর দেয়, আমি সেই আবেদন করব।