জলপাইগুড়িতে বেদখল প্রায় ২০০ কোটির জমি, উদ্বিগ্ন জেলা পরিষদ

52

জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের আওতাধীন প্রায় ২০০ কোটি টাকার জমি দখলের অভিযোগ উঠেছে। জেলা পরিষদের অন্তর্গত ময়নাগুড়ি এবং ধূপগুড়ি ব্লকে প্রায় ৯৩ বিঘা করে মোট ১৮৬ বিঘা জমি বেদখল হয়ে রয়েছে। জমি দখলের ঘটনায় জড়়িত রাঘব বোয়ালেরা। এই পরিস্থিতিতে এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরনাপন্ন হলেন জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা বর্মন। মঙ্গলবার দীর্ঘ চিঠি লিখে কড়া পদক্ষেপ গ্রহণের আবেদন জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রীকে।

জেলা পরিষদের নিয়ন্ত্রণাধীন থাকা ৩০টি হাট থেকে ১৫ বছর পূর্বে ৫ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হলেও বর্তমানে তা দাঁড়িয়েছে ২৪ থেকে ২৫ লক্ষ টাকা। হাটগুলি বনভূমি স্থায়ী কমিটির অধীনে। উদ্বেগজনক পরিস্থিতি থেকে জেলা পরিষদকে রক্ষা করতে বনভূমি স্থায়ী কমিটি বাইলজ পরিবর্তন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ডিজিটাইলাইজ করা হচ্ছে তৌজি খাতা। এছাড়াও হাটগুলির উপর নজরদারী চালাতে ইতিমধ্যে নিয়োগ করা হয়েছে হাটবাবু।

- Advertisement -

জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তরা বর্মন জানান, ময়নাগুড়িতে রাস্তা সংলগ্ন এলাকায় জেলা পরিষদের জমি দখল হয়েছে। ধূপগুড়িতেও জেলা পরিষদের সড়ক সংলগ্ন এলাকার জমি ৯৩ বিঘা দখল হয়েছে। বাম আমলে যথেচ্ছভাবে বেআইনিভাবে জমি দখলের ঘটনা ঘটেছে। তিনি অভিযোগ করে জানান, হাটের জমিতে বিল্ডিং প্ল্যান না করে অবৈধভাবে বসতবাড়ি এবং দোকান ঘর তৈরি করা হয়েছে। জলপাইগুড়ি জেলার অধীনস্থ নয়টি প্রশাসনিক ব্লকে তিন হাজার একর জমি জেলা পরিষদের রয়েছে। রাজগঞ্জ ব্লকে জমি দখলের প্রবণতা সবচেয়ে বেশি।

বামফ্রন্টের আমলের সভাধিপতি তথা প্রাক্তন মন্ত্রী বনমালী রায় জানিয়েছেন, তৃণমূল কংগ্রেসে পরিচালিত পুর বোর্ড বামফ্রন্টের বিরুদ্ধে অসত্য ও মনগড়া অভিযোগ আনছে। তৃণমূলের আমলেই জেলা পরিষদের জমি দখল হয়েছে।