এশিয়ান হাইওয়ের জমিতে অবৈধ নির্মাণ

178

শুভাশিস বসাক, ধূপগুড়ি : বারবার বাধা দেওয়া সত্ত্বেও এশিয়ান হাইওয়ের পাশে জমি দখল আটকানো যাচ্ছে না। রাতারাতি সেখানে গজিয়ে উঠছে টিনের বেড়া দেওয়া দোকানঘর। একের পর এক সরকারি জমি দখলের ঘটনায় সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারাও। বিষয়টি লিখিতভাবে মাগুরমারি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী রায়কে জানানো হয়েছে। অন্যদিকে, এশিয়ান হাইওয়ে৪৮এর ডিরেক্টর জিতেন্দ্রকুমার প্যাটেল জানিয়েছেন, জমি দখলের বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখা হবে। কোথাও অবৈধ নির্মাণ থাকলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ধূপগুড়ি থেকে গয়েরকাটাগামী এশিয়ান হাইওয়ে৪৮এর পাশের সরকারি জমি অনবরত দখল হচ্ছে। শুধু রাতের অন্ধকারেই নয়, দিনের বেলাতেও সকলের সামনে অবৈধ নির্মাণ চলছে। গ্রামবাসীরা বাধা দিলেও তা তোয়াক্কা করছেন না কিছু ব্যবসায়ী। অভিয়োগ, ধূপগুড়ি ব্লকের হরিমন্দির এলাকায় ব্যবসায়ীর জমির সামনের অংশ সহ সড়কের পাশে সরকারি জমি  টিন দিয়ে ঘিরে দেওয়া হয়েছে। যার জেরে গ্রামের রাস্তার গলি থেকে সড়কে উঠতে গেলে হাইওয়ে দিয়ে আসা কোনও গাড়ি চোখে পড়ছে না। এতে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে বলেও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বাসিন্দারা।স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ জানিয়েছেন, এর আগেও এলাকার এক ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখল করে স্থায়ী নির্মাণ করার অভিযোগ ওঠে। পুলিশ সেই মুহূর্তে ব্যবসায়ীকে ডেকে এনে নির্মাণ বন্ধ করার নির্দেশ দেয়। তখন অবশ্য নির্মাণকাজ রুখে দেওয়া হয়। সম্প্রতি ওই চত্বরেই পুনরায় অস্থায়ীভাবে টিন দিয়ে সরকারি জমি দখল করার অভিযোগ উঠেছে।

- Advertisement -

মাগুরমারি-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কাবেরী রায় বলেন, স্থানীয় বাসিন্দারা লিখিতভাবে বিষয়টি জানিয়েছে। খুব শীঘ্রই তা খতিয়ে দেখা হবে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এদিকে, বারবার সরকারি জমি দখল হলেও সংশ্লিষ্ট দপ্তর কোনও ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে অভিযোগ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, সড়কের পাশের সরকারি জমি দখল করে উঁচু টিনের বেড়া দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধানকেও লিখিতভাবে জানানো হয়েছে। ভয়ে আমরা কাউকে কিছু বলতে পারছি না। এভাবে সরকারি জমি দখল হলেও প্রশাসন কেন ব্যবস্থা নিচ্ছে না, তা বুঝতে পারছি না।অন্যদিকে, ধূপগুড়ি-বীরপাড়াগামী সড়কে এশিয়ান হাইওয়ে পাশে একাধিক সরকারি জমি দখলের অভিযোগ রয়েছে। কয়েকদিনের ফারাকে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে থাকলেও প্রশাসন চুপ।