লকডাউনে সেলুন ছেড়ে ফলের দোকানেই লক্ষ্মীলাভ

268

আলিপুরদুয়ার: করোনা সংক্রমণের জেরে লকডাউনের সময় অনেক মানুষ কাজ হারিয়েছেন আবার অনেকেই রোজগারের জন্য নিজেদের পেশা বদলেছেন। এমনই একজন পরিমল শীল(৪৯)। আলিপুরদুয়ার শহরের বড় বাজারে রেল গেটের পাশে তার সেলুন ছিল। লকডাউনে সেলুন বন্ধ করে শুরু করেছেন ফলের দোকান। সেই দোকান শুরু করার এক বছর পার হয়ে গিয়েছে।

লকডাউন ঘোষণা হতেই সব কিছুর উপর নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। শুধু ছার হয় নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসের দোকান। যেমন কাঁচামাল, শাক সবজি, ফল, মুদিখানা। অন্য পেশা থেকে অনেকেই এই পেশা গুলো বেছে নিয়েছিলেন। সংসার চালাতে তো আয় করতে হবে। এমন করেই অনেকে নিজের বহুদিনের কাজ ছেড়ে অন্য পেশায় এসেছেন। সেই তালিকায় যেমন ব্যবসায়ীরা পড়েন, তেমন বিভিন্ন চাকরিতে থাকা অনেকেই, কাজের জায়গা থেকে ছাঁটাই হবার পর বিভিন্ন ব্যবসায় এসেছেন, যেই ব্যবসা গুলোতে লকডাউনে সরকারি বিধিনিষেধ জারি ছিল না।

- Advertisement -

পরিমল বাবু ১২ বছর বয়স থেকে বড় বাজারের এক সেলুনে কাজ শেখে। তারপর একটু বড় হলে ১৯৯১ সালে বাজারের নিজের সেলুন খোলে। তার ২৯ বছর পর ২০২০ সালে পেশা বদল। লকডাউনে সেলুনের মত জায়গা গুলোতে বেশি বিধিনিষেধ জারি করা হয়, কারণ এই জায়গা গুলোতে অনেক মানুষের ভিড় হয়, সংক্রমণের ভয় ছিল। পরিমল বাবু বলেন, ‘সেলুন দিয়ে উপার্জন হতো আগে। লকডাউনে সেটা বন্ধ হয়। এরপর বিকল্প হিসেবে বাজারে যে দোকান আছে সেখানেই ফল বেচা শুরু করি। উপার্জন করাটা দরকার ছিল। আজও সেটাই চলছে।’