ব্রুনোদের খাদ্যাভ্যাস বদলে দিয়েছেন রোনাল্ডো

ম্যাঞ্চেস্টার : আর যেখানে যাও না রে ভাই সপ্তসাগর পার…

আর যেখানেই যাও, ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোর সঙ্গে খাওয়ার আমন্ত্রণ রক্ষা করতে যেও না। কয়েক বছর আগে প্রাক্তন সতীর্থ সম্পর্কে এই তথ্য দিয়েছিলেন ফরাসি ডিফেন্ডার প্যাট্রিস এভ্রা। কারণ দুপুরে একসঙ্গে খাওয়ার আমন্ত্রণ রক্ষা করতে গিয়ে এভ্রা দেখেছিলেন, টেবিলে শুধু স্যালাড ও সেদ্ধ করা মাংস রয়েছে। আসলে স্বাস্থ্য নিয়ে রোনাল্ডোর সচেতনতার উদাহরণ দিতে গিয়ে এই তথ্য ফাঁস করেছিলেন এভ্রা।

- Advertisement -

ম্যাঞ্চেস্টারের পাট গুটিয়ে মাদ্রিদ-তুরিন ঘুরে ফের ম্যাঞ্চেস্টারে ফেরার পরও একইরকম স্বাস্থ্য সচেতন রোনাল্ডো। তাঁর প্রভাবে স্বাস্থ্য সচেতনতা সংক্রামিত হয়েছে দলের অন্যদের মধ্যেও। একথা জানিয়েছেন ইউনাইটেডে তাঁর বর্তমান সতীর্থ গোলরক্ষক লি গ্রান্ট। শুধু নিজে সচেতন হওয়াই নয়, গোটা দলের খাদ্যাভ্যাস বদলে গিয়েছে রোনাল্ডো আসার পর। এখন আর ফুটবলারদের ডিনারের শেষে কাস্টার্ড বা ব্রাউনি খেতে দেখা যায় না।

দলের ওপর ক্রিশ্চিয়ানো প্রভার প্রসঙ্গে লি বলেন, শুক্রবার রাতের খাবারের পর আমরা সাধারণত একটু নিয়ম ভেঙে কাস্টার্ড বা ব্রাউনির মতো জাঙ্ক ফুড খাই। কিন্তু ক্রিশ্চিয়ানো আসার পর ডিনারের শেষে দলের একজনও কোনও ডেসার্টে হাত দেয়নি। সবাই চুপচাপ বসে থেকেছে। এমনকি কয়েকজন উঠে রোনাল্ডো কী খেয়েছেন তা দেখতেও যান। লিয়ের কথায়, ওর প্লেটটা সবচেয়ে পরিস্কার ও স্বাস্থ্যকর খাবারে পরিপূর্ণ ছিল। ফলে অন্যরা জাঙ্ক ফুডের দিকে হাত বাড়াতে সাহস পাবে না, সেটাই স্বাভাবিক।

কী ছিল রোনাল্ডোর প্লেটে? এর উত্তরে লি বলেছেন, ওর প্লেটে কুইনোয়া, অ্যাভোকাডো আর দুটো সেদ্ধ ডিম ছিল শুধু। এটাই ওর ডিনার। নতুন সতীর্থের প্রতি শ্রদ্ধাও ধরা পড়েছে লিয়ের বক্তব্যে, ৩৬ বছর বয়সেও দুর্দান্ত স্বাস্থ্য ধরে রেখেছে ও। দলের দ্বিতীয় সেরা শরীরের অধিকারী ও, অবশ্যই আমি শীর্ষে। তবে ওকে কৃতিত্ব দিতেই হবে। এর আগেও বহু সতীর্থ রোনাল্ডোর স্বাস্থ্য সচেতনতা, খাদ্যাভ্যাস ও শরীরচর্চার প্রতি ভালোবাসাকে কুর্নীশ জানিয়েছেন।