ভোটমুখী বাংলার প্রথম ব্রিগেড থেকে তৃণমূল-বিজেপিকে হঠানোর ডাক

59

ওয়েবডেস্ক: ভোটমুখী বাংলার প্রথম ব্রিগেড সমাবেশ থেকে তৃণমূল-বিজেপিকে হঠানোর ডাক বাম-কংগ্রেসের। রবিবার সকাল থেকে জোটের ব্রিগেড ঘিরে দক্ষিণবঙ্গ ছিল ব্রিগেডমুখি। দুপুরের আগেই মাঠের সিংহভাগ ভরিয়ে ফেলেন কর্মী-সমর্থকরা। প্রথম বক্তব্য রাখতে উঠেই বিমান বসু জানিয়ে দেন, আজকের পর থেকে একদিকে বিজেপি-তৃণমূল অন্যদিকে আমরা সবাই। সূর্যকান্ত মিশ্র জানান, মানুষের কাছে যেতে হবে। মানুষ যা বলবে তা মাথা পেতে নিতে হবে। সংযুক্ত মোর্চার পক্ষে সওয়াল করে অধীর চৌধুরির গলাতেও ছিল তীব্র ঝাঁজ।

তিনি বলেন, ‘আগামী দিনে তৃণমূল বিজেপি থাকবে না। সংযুক্ত মোর্চাই থাকবে।’ ব্রিগেডে বক্তা ছিলেন ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেলও। নিজের বক্তব্যে দিদি ও মোদিকে বিঁধে ভূপেশের আবেদন, দিদি ও মোদি দুজনেই বিভাজনের রাজনীতি করেন। একজনের হাত থেকে দিল্লি ও একজনের হাত থেকে বাংলাকে বাঁচাতে হবে। দিল্লির কৃষক আন্দোলন নিয়ে বিজেপিকে বেঁধেন সীতারাম ইয়েচুরি।

- Advertisement -

সীতারামের দাবি, ‘ব্রিগেডের সমাবেশ বুঝিয়ে দিচ্ছে বাংলায় পরিবর্তন অবশ্যম্ভাবি। এদিন ব্রিগেড সমাবেশে উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের নেতা আব্বাস সিদ্দিকির। ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টকে ৩০ টি আসন ছেড়েছে বামেরা। তার জন্য প্রকাশ্য মঞ্চ থেকেই বামেদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান আব্বাস। তবে কংগ্রেসের সঙ্গে জোট হয়নি আব্বাসের দলের।তাই বাম প্রার্থীদের রক্ত দিয়ে জেতানোর কথা বললেও কংগ্রেস প্রসঙ্গে নীরব ছিলেন আব্বাস। বরং স্পষ্ট জানিয়ে দেন কাউকে তোষণ নয়। ভাগীদারি বুঝে নিতে চান তিনি। বামেরা ক্ষমতায় এলে নিয়মিত মাদ্রাসা ও এসএসসি পরীক্ষা নেওয়া হবে বলে জানান সেলিম।

বিজেপি তৃণমূলকে খোঁচা দিয়ে সেলিম বলেন, ‘একদিকে দলবদলের লড়াই অন্যদিকে দিনবদলের লড়াই চলছে।’এদিন বামেদের সমাবেশে ব্রাত্য ছিলেন না তারকারাও। উল্লেখযোগ্য উপস্থিতি ছিল সব্যসাচী চক্রবর্তী, শ্রীলেখা মিত্র, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, চন্দন সেন, বাদশা মৈত্রদের।