কোচবিহার  : মাইকেল মধুসুদন দত্তের চাকরির আবেদনপত্র হারিযে গিয়েছে। কোচবিহারের মহারাজা নরেন্দ্রনারাযণের কাছে তিনি আবেদন করেছিলেন চাকরির জন্য। আর তাঁর সেই আবেদনপত্রে সুপারিশ করেছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। সরকারি চিঠি হওয়ায় বহু বছর সেটি জেলা প্রশাসনের কাছে ছিল।অভিযোগ, কোচবিহারে কাজ করতে এসে এক পদস্থ আমলা সেই চিঠি নিয়ে গিয়েছেন।এভাবেই কোচবিহারের রাজ আমলের ঐতিহাসিক দলিল খোয়া গিয়েছে সরকারি হেপাজত থেকে। পরবর্তীতে প্রশাসনের কর্তারা অনেকেই বিষয়টি জানলেও কেউই এ ব্যাপারে বিশেষ কোনো উদ্যোগ নেননি। এমনকী যে আধিকারিকে আমলে চিঠি খোয়া গিয়েছিল তাঁর বিরুদ্ধেও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।
সোমবার, বিদ্যাসাগরের প্রয়াণ দিবসে, স্যোশ্যাল মিডিযায অমূল্য সেই চিঠি উদ্ধারের দাবি জানান কোচবিহার হেরিটেজ সোসাইটির সম্পাদক অরূপজ্যোতি মজুমদার। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন,  কোচবিহার প্রশাসন চাকরি করতে ইচ্ছুক মাইকেল মধুসূদনের চিঠিতে সুপারিশ ছিল ওঁর। সরকারি হেপাজত থেকে কোথায গেল সেই ঐতিহাসিক দলিল। আবার এদিন সন্ধ্যেতে তাঁকেই পোস্ট করতে দেখা যায, বিদ্যাসাগরের স্মরণে প্রতিটি অনুষ্ঠানে প্রশাসনিক তদন্তের দাবি উঠুক মাইকেলের লেখা এবং বিদ্যাসাগরের সুপারিশ করা ওই অমূল্য চিঠি উদ্ধারের। কোচবিহারে ফিনিযে আনার।

অরূপজ্যোতিবাবুর সেই পোস্টে অ্যাসোসিযোন বেটার অব কোচবিহারের সম্পাদক আনন্দজ্যোতি মজুমদার লিখেছেন, আরে সে তো বহু পুরোনো কথা, এক আমলা নিযে গেছেন বলে জানা যায়। অপর এক পোস্টে এনাক্ষী মজুমদার বলেছেন, একদম ঠিক। কিন্তু ফেরত পাওযা কঠিন। সরকারি ফাইল থেকে গবেষকরা অনেক সমযে দস্তাবেজ সরিযে ফেলেন। আমার অভিজ্ঞতায় জানি।

কোচবিহার হেরিটেজ সোসাইটির সম্পাদক বলেন, মধুসূদনের সেই চিঠিটি নিযে তদন্ত হবে না কেন? চিঠিটি কোচবিহারের নিজস্ব সম্পত্তি। অবিলম্বে তদন্ত করে চিঠিটি ফিরিযে আনা হোক।

 

তথ্য-দেবদর্শন চন্দ