Forensic investigator working at a crime scene

কোয়েম্বাটুর, ২০ জানুয়ারিঃ দিল্লির বুরারির স্মৃতি ফিরে এল কোয়েম্বাটুরে। একই পরিবারের পাঁচজনের দেহ উদ্ধার করল পুলিশ। মৃতদের মধ্যে দুজন মহিলা ও দুজন শিশু রয়েছেন। পুলিশের সন্দেহ বিপুল ঋণের বোঝা চেপেছিল পরিবারটির কাঁধে। তাই পরিবারের বাকি সদস্যদের খুন করে আত্মঘাতী হয়েছেন পরিবারের কর্তা। তবে প্রকৃত ঘটনা জানতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছন, শনিবার সকাল থেকে ওই পরিবারের কাউকে বাইরে দেখা যায়নি। দুপুরের পরও বাড়ির জানলা দরজা বন্ধ দেখে এক ব্যক্তি জানলার ফাঁক দিয়ে উঁকি দেন। দেখতে পান সিলিং থেকে ঝুলছে বাড়ির কর্তার দেহ। সঙ্গে সঙ্গে খবর দেওয়া হয় পুলিশে। পুলিশ এসে ওই ব্যক্তির স্ত্রী-মা ও দুই সন্তানের দেহ উদ্ধার করে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, পরিবারের বাকিদের  বিষ খাইয়ে নিজে গলায় ফাঁস লাগিয়ে আত্মঘাতী হন ওই ব্যক্তি। নয়াদিল্লির বুরারি এলাকার একই পরিবারের ১১ সদস্যের মৃতদেহ উদ্ধারের পর তোলপাড় শুরু হয় দেশজুড়ে। এরপর ঝাড়খণ্ডের হাজারিবাগ জেলায় একই সঙ্গে পরিারের ছ’জনের দেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ। তার মধ্যে ছিল দু’টি শিশুও। পরবর্তী সময়ে ঝাড়খণ্ডেরই রাঁচিতে একই বাড়ি থেকে সাত জনের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করেছিল পুলিশ।