কর্মীর অভাবে তালা পড়েছে গ্রন্থাগারে, ক্ষোভ পাঠক মহলে

249

জটেশ্বর: প্রায় দু’বছর আগে অবসর নিয়েছেন গ্রন্থাগারিক। ফলে সেসময় থেকেই বন্ধ হয়ে রয়েছে ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষীরেরকোট এলাকার একমাত্র গ্রন্থাগারটি। গ্রন্থাগারিক অবসর নেওয়ার পর নতুন গ্রন্থাগারিক নিয়োগ করে খোলা হয়নি এলাকার গ্রন্থাগারটি। যার জেরে গল্পগুচ্ছ, সাহিত্য এমনকি নানা শিক্ষামূলক বিষয় থেকেও পিছিয়ে পড়ছে এলাকার শিশু থেকে শুরু করে যুব সমাজ। এতে ক্ষোভ ছড়িয়েছে পাঠক মহলেও।

এলাকাবাসীদের দাবি, গ্রন্থাগারটি বন্ধ থাকায় একদিকে যেমন ক্ষতি হয়েছে পাঠক মহলের অন্যদিকে ঝোপজঙ্গলে ভরে গিয়েছে গোটা গ্রন্থাগারটি। অবহেলায় গ্রন্থাগারের গোটা ভবনটি পরিত্যাক্ত আবাসনে পরিণত হচ্ছে বলে দাবি এলাকার পাঠক সহ স্থানীয় শিক্ষানুরাগী মহলের।

- Advertisement -

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ক্ষীরেরকোট বিবেকানন্দ গ্রন্থাগারটি চালু থাকাকালীন জটেশ্বর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কাঠালবাড়ি, ডালিমপুর, ক্ষীরেরকোট, দেওডাঙ্গা সহ বিস্তীর্ণ এলাকার পাঠক সমাজ গ্রন্থাগারটিতে প্রতিনিয়তই আসতেন। কিন্তু গ্রন্থাগারিক অবসর নেওয়ার পরে আর কোনও গ্রন্থাগারিক সেখানে আসেননি। ফলে গ্রন্থাগারটি আর খোলাও হয়নি। যার জেরে লোকজনের যাতায়াত ধীরে ধীরে কমতে থাকে। সম্প্রতি বন্ধ থাকা গ্রন্থাগারটিতে বিষাক্ত পোকামাকরও ঘোরাফেরা করতে দেখা গিয়েছে বলে দাবি করছেন স্থানীয় পাঠকরা।

স্থানীয়দের অভিযোগ, ঝোপজঙ্গলে পরিপূর্ণ হওয়া গ্রন্থাগারটিতে বহু গুরুত্বপূর্ণ বই রয়েছে যা অবহেলায় নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বহু পুরোনো আমলের বই নস্ট হওয়ার আশঙ্কায় সরকারি উদাসীনতাকেই দায়ী করেছে এলাকার পাঠক মহল।

এ বিষয়ে জলপাইগুড়ি জেলার ডিএলও শিবনাথ দে বলেন, ‘কর্মী নেই। নতুন কর্মী এলেই গ্রন্থাগারটি চালু করা হবে।’ জটেশ্বর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সমরেশ পাল বলেন, ‘বিষয়টি তেমন কেউ জানায়নি। দ্রুত বিষয়টি দেখা হবে।’