ক্ষীরেরকোটে দুবছর ধরে গ্রন্থাগারে তালা ঝুলছে

184

শান্ত বর্মন, জটেশ্বর: প্রায় দুবছর আগে গ্রন্থাগারিক অবসর নিয়েছেন। এরপর থেকেই বন্ধ হয়ে রয়েছে ফালাকাটা ব্লকের জটেশ্বর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের ক্ষীরেরকোট এলাকার একমাত্র গ্রন্থাগারটি। ফলে সেখানে অনাদরে পড়ে থেকে নষ্ট হতে বসেছে গুরুত্বপূর্ণ বইগু। আবার পাঠকরা বই পড়া এবং বই সংগ্রহ থেকেও বঞ্চিত হচ্ছেন বলে অভিযোগ। এ অবস্থায় নতুন গ্রন্থাগারিক নিয়োগ করে আর খোলা হয়নি গ্রন্থাগারটি।

এলাকাবাসীর বক্তব্য, দীর্ঘদিন  থেকে বন্ধ থাকায় ঝোপজঙ্গলে ছেয়ে গিয়েছে গ্রন্থাগার চত্বর। ক্ষীরেরকোট বিবেকানন্দ গ্রন্থাগারটি চালু থাকাকালীন জটেশ্বর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার কাঁঠালবাড়ি, ডালিমপুর, ক্ষীরেরকোট দেওডাঙ্গা সহ বিস্তীর্ণ এলাকার পাঠক প্রতিনিয়ত গ্রন্থাগারে আসতেন। কিন্তু আগের গ্রন্থাগারিক অবসর নেওয়ার পরে আর নতুন কোনও গ্রন্থাগারিক সেখানে আসেননি। ফলে আর তা খোলাও হয়নি। এর জেরে ধীরে ধীরে পাঠকদের যাতায়াতও কমতে থাকে। স্থানীয়দের অভিযোগ, গ্রন্থাগারটিতে বহু গুরুত্বপূর্ণ বই অবহেলায় নষ্ট হচ্ছে। বহু পুরোনো বই নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় সরকারি উদাসীনতাকে দায়ী করেছেন এলাকার বাসিন্দা এবং পাঠকরা।

- Advertisement -

স্থানীয় বাসিন্দা বিশ্বজিৎ বর্মন বলেন, দীর্ঘদিন থেকে গ্রন্থাগারটি বন্ধ থাকায় এলাকার পাঠকদের সমস্যা হচ্ছে। বাইরে যে সমস্ত বই পাওয়া যায় না, সেগুলি গ্রন্থাগারে মেলে। কিন্ত দুর্ভাগ্যবশত গ্রন্থাগারটি বন্ধ থাকায় পাঠকরা তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। অপর বাসিন্দা দিলীপ বর্মন বলেন, ক্ষীরেরকোটের গ্রন্থাগারটি পাঠকদের একমাত্র ভরসা। সেটির দিকে অবশ্যই কর্তৃপক্ষের নজর দেওয়া উচিত। এ বিষয়ে জলপাইগুড়ি জেলার ডিএলও শিবনাথ দে বলেন, এখন কর্মী নেই, তবে নতুন কর্মী এলেই গ্রন্থাগারটি চালু করা হবে। এ বিষয়ে জটেশ্বর-২ গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান সমরেশ পাল বলেন, বিষয়টি নিয়ে কেউ  জানায়নি। দ্রুত বিষয়টি দেখা হবে।