অবসরের একবছর বাকি। চামেলি সাহার তাতে আনন্দ বেজায়। সমাজসেবায় সময়ে  অভাব হবে না আর। জলপাইগুড়ির এক অন্যরকম দিদিমণির কথায় ।

–জ্যোতি সরকার

তিনি নিজেকে ব্যস্ত রাখতেই অভ্যস্ত। সমাজসেবার ক্ষেত্রে তাঁর এই মগ্নতা অনেককেই ভাবায। সমাজসেবা অর্থে তিনি সবার আগে ভাবেন কর্মসংস্থানের কথা। গ্রাম থেকে শহর সর্বত্র তাঁর এই উদ্যোগ। উত্তরবঙ্গে সম্পদের অভাব নেই। এই সম্পদকে কাজে লাগাতে পারলেই কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা যেতে পারে। অধ্যবসায এবং নিষ্ঠাকে সঙ্গী করে নীরবে স্থানীয সম্পদকে কাজে লাগাচ্ছেন তিনি। তাঁর পরিচয, জলপাইগুড়ি সদর ব্লকের মুন্নাজ হ্যাপি হোম উচ্চ বিদ্যালযে সহকারী প্রধানশিক্ষিকা চামেলি সাহা। বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের কন্যাশ্রী পরিসেবাপ্রাপ্ত মেযেের নিযে ক্লাব তৈরি করেছেন। তাদের হাতেকলমে আচার তৈরি শেখানো থেকে শুরু করে কেক তৈরির কাজেও রপ্ত করানো হচ্ছে। পাশাপাশি স্বনির্ভর কর্মসূচির ছাতার তলায আগামীতে যোগ দেওযার পথটাও দেখাচ্ছেন তিনি। ৫৯ বছরের এই শিক্ষিকার অবসরের আর মাত্র এক বছর বাকি। তাতে বরং চামেলি সাহা আরও উল্লসিত। কারণ অবসরের পর সমাজসেবার কাজে আরও বেশি করে নিজেকে নিযোজিত রাখতে পারবেন।
তিনি পিছিযে নেই সাহিত্যেও। উত্তরবঙ্গের প্রেক্ষাপটে দীর্ঘ তিন দশকের বেশি সময ধরে তিনি কবিতা লিখে চলেছেন। উত্তরের লিটল ম্যাগাজিনগুলিতে তাঁর লেখা নিযমিতভাবেই স্থান পায।
সবমিলিযে উত্তরের সমাজের বুকে চামেলি সাহা সত্যিই এক উজ্জ্বল নাম।