উপত্যকা সন্ত্রাসশূন্য করতে খতমের লক্ষ্যে প্রস্তুত ৭ জঙ্গির তালিকা

300

শ্রীনগর: উপত্যকায় ভীষণভাবে সক্রিয় হিজবুলের দুই শীর্ষ কমান্ডারকে চলতি বছরের মে ও নভেম্বরে নিরাপত্তাবাহিনী খতম করলেও জম্মু ও কাশ্মীরে সন্ত্রাসশূন্য হয়নি। ভূস্বর্গ থেকে জঙ্গি তৎপরতার শিকড় উপড়ে ফেলতে ও আগামীদিনে শীর্ষকমান্ডার হয়ে উঠতে পারে, এমন সাতজনের সম্ভাব্য তালিকা তৈরি করে তাদের নিকেশ করার রণকৌশল ছকে ফেলেছে নিরাপত্তাবাহিনী।

কাশ্মীর উপত্যকায় শুরু হয়ে গিয়েছে জঙ্গি চিহ্নিতকরণের কাজ। মোদি সরকার ক্ষমতায় আসার পর জম্মু ও কাশ্মীরের সামগ্রিক উন্নয়ন ও সন্ত্রাসকে উপড়ে ফেলার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল কেন্দ্র। নাশকতামূলক ক্রিয়াকলাপ চিরতরে বন্ধ করার লক্ষ্যে একদিকে প্রশাসনের তরফে উন্নয়ন ও অন্যদিকে সেনা, আধাসেনা ও পুলিশ সংঘবদ্ধভাবে ঝাঁপিয়ে পড়ে জঙ্গিদের ডেরা খুঁজে আঘাত হেনেছে। হিজবুল প্রধান নাইকু খতম হয়েছে লকডাউন চলাকালীন গত মে মাসে। নভেম্বরের গোড়ায় খতম হয় পরবর্তী কমান্ডার, যে ডক্টর সইফুল্লা নামে উপত্যকায় বেশি পরিচিত। পুলিশের রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছরের গোড়া থেকে নভেম্বরের শুরু পর্যন্ত প্রায় ২০০ জঙ্গি মারা পড়েছে। কিন্তু একজনের জায়গায় আর একজন উঠে সম্ভাবনা নির্মূল করতে পরবর্তী পদক্ষেপের উদ্যোগ নিচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনী। গোয়েন্দা রিপোর্ট অনুযায়ী, চিনা ড্রোনের মাধ্যমে পঞ্জাব এবং জম্মু ও কাশ্মীরের জঙ্গিদের পাকিস্তান থেকে অস্ত্র সরবরাহ এখন প্রমাণিত সত্য। সম্প্রতি পঞ্জাবে এমন একটি ড্রোন গুলি করে নামানো হয়েছিল। পাক সেনা ও আইএসআই হেক্সোকপ্টারের মাধ্যমে আরও অস্ত্র সরবরাহের পরিকল্পনা নিয়েছে বলে উল্লেখ রয়েছে রিপোর্টে। গোয়েন্দারা কেন্দ্রকে বিষয়টি জানিয়েছেন। এই সমস্ত দিক বিবেচনা করে উপত্যকায় জঙ্গিদের শেষ দেখতে মরিয়া হয়ে উঠেছে নিরাপত্তাবাহিনী।

- Advertisement -