পানীয় জল পরিষেবা চালুর দাবিতে সরব এলাকাবাসী

136

তুফানগঞ্জ: পানীয় জলের কল আছে, কিন্তু দীর্ঘ চার মাস থেকে কলে জল নেই। আবার কোথাও জলের ট্যাপে স্টপকক না থাকায় পানীয় জলের অপচয় হচ্ছে। এমনই ছবি ধরা পড়ল তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের ধলপল-১ গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। পানীয় জলের পরিষেবা থেকে বঞ্চিত ১০ হাজারের বেশি বাসিন্দা। খুব শীঘ্রই পরিষেবা চালু না হলে বৃহত্তর আন্দোলনের হুমকি দিয়েছেন এলাকাবাসী।

জানা গিয়েছে, ধলপলে তিনটি পানীয় জলের রিজার্ভার রয়েছে। একটি ধলপল বাজার এলাকায়, বাকি দুটো ভুরকুশ ও চিকলিগুড়ি দ্বিতীয় খণ্ড এলাকায়। দীর্ঘ চার মাস থেকে ভুরকুশে অবস্থিত পানীয় জলের রিজার্ভার থেকে পরিষেবা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে বলে স্থানীয়দের তরফে জানা যায়। ভুরকুশ এলাকায় ২০১৫-১৬ সালে পানীয় জলের রিজার্ভের কাজ শুরু হলেও পরিষেবা চালু হয় ২০২০ সালের এপ্রিল মাসে। মোট ট্যাপকলের সংখ্যা ১৩০টি। ধলপলের বৃহৎ একটি এলাকায় অর্থাৎ চিকলিগুড়ি প্রথম ও দ্বিতীয় খন্ড, ভুরখুশ, দাসপাড়া, কলোনি পাড়া, বর্মনপাড়া, উত্তর ধলপলে এখান থেকেই পরিষেবা দেওয়া হত। পরিষেবা বন্ধ থাকায় এলাকাবাসী একপ্রকার বাধ্য হয়েই গভীর নলকূপের আয়রন যুক্ত জল খেয়ে পেটের সমস্যায় ভুগছেন।

- Advertisement -

বর্মনপাড়ার বাসিন্দারা জানান, দীর্ঘ চার মাস থেকে পানীয় জল সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ। অথচ ধলপল বাজার এলাকায় দু’বছর থেকে পানীয় জলের অপচয় হচ্ছে। জল পরিষেবা বন্ধ থাকার কথা প্রশাসনকে জানিয়েও কোনও সুরাহা হয়নি। বাধ্য হয়েই গভীর নলকূপের আয়রন যুক্ত খেতে হচ্ছে। ফলে পেটের সমস্যা সহ অন্যান্য রোগে ভুগছি। দ্রুত পরিষেবা চালু না হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।

ধলপল-১ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কবিতা দাস বলেন, ‘ধলপল বাজার এলাকায় সমস্ত ট্যাপকলে স্টপকক লাগানো হয়েছিল। কেউ খুলে নিয়ে গেলে কিছু করার নেই। তবুও পানীয় জলের অপচয় বন্ধ করার ব্যবস্থা করা হবে।’ উপপ্রধান নূর ইসলাম মিয়াঁ বলেন, ‘ভুরকুশ এলাকার পানীয় জলের রিজার্ভার থেকে পানীয় জল সরবরাহ দীর্ঘ চার মাস থেকে পুরোপুরিভাবে বন্ধ। পিএইচইকে জানানো হয়েছে। খুব শীঘ্রই পরিষেবা চালু করার দাবি জানাচ্ছি।’ জনস্বাস্থ্য কারিগরি বিভাগের তুফানগঞ্জ শাখার সহকারী বাস্তুকার প্রসেনজিত্ রায় বলেন, ‘উত্তর ধলপল এলাকায় কয়েক মাস আগে পিডব্লিউডি’র রাস্তার কাজ শুরু হয়েছিল। সেসময় জলের পাইপ ভেঙে গিয়েছে। রাস্তার কাজ শেষ হলেই পুনরায় পাইপ বসিয়ে পানীয় জল পরিষেবা চালু করা হবে।’