মূর্তিতে বেহাল রাস্তা মেরামতের দাবি স্থানীয়দের

90

চালসা: মেটেলি ব্লকের পর্যটনকেন্দ্র মূর্তিতে বেহাল রাস্তার জন্য সমস্যায় পড়তে হচ্ছে পর্যটক সহ স্থানীয়দের। পাশাপাশি বেহাল রাস্তায় গাড়ি চালাতে সমস্যায় পড়ছেন চালকরা। দ্রুত ওই রাস্তা মেরামতের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

বনানী বনবাংলোর সামনে দিয়ে যাওয়া প্রায় ২০০ মিটার রাস্তার দীর্ঘদিন ধরেই বেহাল দশা। এখনও পর্যন্ত ওই রাস্তা পাকা করা হয়নি। রাস্তায় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। সামান্য বৃষ্টিতেই গর্তে জল জমে ডোবার আকার নেয়। ওই রাস্তা দিয়েই পর্যটন দপ্তরের মূর্তি ট্যুরিস্ট কমপ্লেক্স সহ বেশ কয়েকটি বেসরকারি রিসোর্টে যেতে হয়। রাস্তাটির একদিকে মূর্তির রাজ্য সড়ক ও অপরদিকে পিএমজিএসওয়াই-এর পাকা রাস্তা রয়েছে। কিন্তু মাঝের ওই রাস্তাটি এখনও কাঁচা রয়েছে। মুখমন্ত্রী আসার সময় ওই রাস্তায় বোল্ডার ও বজরি পড়লেও তারপর আর কিছুই হয়নি। রোজ ওই রাস্তা দিয়ে বহু পর্যটকের গাড়ি ও টোটো চলাচল করে। রাস্তার বেহাল দশার জন্য গাড়ি চালাতেও সমস্যা হয়। টোটো চালক জিয়াউল আলম জানান, রাস্তাটির অবস্থা খুবই খারাপ। পর্যটকদের নিয়ে ওই রাস্তা দিয়ে যেতে সমস্যা হয়। দুর্ঘটনারও আশঙ্কা রয়েছে। দ্রুত ওই রাস্তাটি পাকা করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। মূর্তি জিপসি ওনার্স ‌অ্যাসোসিয়েশনের পরিচালক মজিদুল আলম জানান, সরকারি ও বেসরকারি রিসোর্টে থাকা পর্যটকদের জঙ্গলে নিয়ে যাওয়ার সময় গাড়ি করে ওই রাস্তা দিয়েই যাতায়াত করতে হয়। রাস্তার অবস্থা খারাপ থাকায় চলাচলে সমস্যা হচ্ছে। দ্রুত ওই রাস্তাটি সংস্কার করা প্রয়োজন। রিসোর্ট মালিকদের সংগঠন গরুমারা ট্যুরিজম ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক দেবকমল মিশ্র জানান, এর আগেও তাঁরা রাস্তা সংস্কারের কথা প্রশাসনকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি শুনেছি রাস্তাটি বনদপ্তরের তাই সেটি মেরামত করা হচ্ছে না। যদি তাই হয় তাহলে মঙ্গলবাড়ির টিয়াবন এলাকায়ও এইরকম একটি রাস্তা মুখ্যমন্ত্রী আসার সময় যুদ্ধকালীন পরিস্থিতিতে পাকা করা হয়।’ সেটি পাকা করা হলে এটি কেন করা হবে না তা নিয়ে প্রশ্ন করেছেন তিনি। বনদপ্তরের তরফে অবশ্য জানানো হয়েছে, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে। এলাকার গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বাপন রায় জানান, রাস্তাটি বনদপ্তরের অধীনে থাকায় হয়তো সেটি পাকা করা হয়নি। বিষয়টি নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েতে আলোচনা করে প্ৰয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

- Advertisement -