স্কুলে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে সরব এলাকাবাসী

179

জটেশ্বর: স্কুলের একমাত্র স্থায়ী শিক্ষক তথা প্রধান শিক্ষক অবসর নিয়েছেন। যার ফলে স্কুলের সরকারি কাজকর্ম এবং মিড-ডে মিল প্রক্রিয়া সহ সমস্ত কিছুই ভিইসি কমিটি এবং স্কুল পরিদর্শকের অফিস থেকেই মনিটরিং করা হচ্ছে। যার ফলে অনেক ক্ষেত্রেই সমস্যা দেখা দিচ্ছে বলে অভিযোগ স্থানীয়দের। এতে স্কুলে স্থায়ী শ্রেণি শিক্ষক সহ প্রধান শিক্ষক নিয়োগের দাবিতে সরব হয়েছেন প্রাথমিকের ফালাকাটা উত্তর মণ্ডলের ডালিমপুর এলাকার বাসিন্দারা। স্কুলকে সচল রাখতে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ না হলে বড়সড় আন্দোলনের হুমকিও দিয়েছেন তাঁরা।

জানা গিয়েছে, প্রাথমিকের ফালাকাটা উত্তর মণ্ডল এলাকার ডালিমপুর এস পি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একমাত্র শিক্ষক (প্রধান শিক্ষক) লকডাউন চলাকালীন অবস্থায় অবসর নেন। তারপর একজন অস্থায়ী ও একজন প্যারা শিক্ষক দিয়েই চলছে স্কুলের অফিসের কাজকর্ম। স্থানীয়দের অভিযোগ, করোনা সংক্রমণ কাটিয়ে স্কুল শুরু হলে কিভাবে পঠনপাঠন চলবে। এবং প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত একজন শিক্ষকের পক্ষে কিভাবে ক্লাস নেওয়া সম্ভব, সেই বিষয়ে ক্ষোভ দানা বাঁধতে শুরু করেছে এলাকায়।

- Advertisement -

একই অভিযোগে মণ্ডল পরিদর্শককে স্মারকলিপি দিয়েছেন দলগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের দলমোনি টি জি প্রাইমারি স্কুলের বিষয়েও। সেই স্কুলের দুজন শিক্ষকের মধ্যে একজন শিক্ষক অবসর নিয়েছেন। যার ফলে সমস্যা দেখা দিয়েছে সেই স্কুলেও।

এলাকার বাসিন্দা রাজোত্তম বর্মন বলেন, ‘এলাকার এই স্কুলটির এক সময় ব্যাপক নামডাক ছিল। ধীরে ধীরে শিক্ষক-শিক্ষিকা ও পড়ুয়ার সংখ্যা কমে যায়। বর্তমানে একজনও স্থায়ী শিক্ষক নেই। প্রধান শিক্ষকও অবসর নিয়েছেন। তাই স্কুলের পঠন পাঠন ও স্কুলকে পরিচালনা করতে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা দরকার।’ এলাকার আরও এক বাসিন্দা বিশ্বজিৎ বর্মন বলেন, ‘এলাকার ছাত্রছাত্রীদের কথা মাথায় রেখে এবং স্কুলের স্বার্থে স্কুলে স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ করা দরকার। আমরা চাই ডালিমপুর এস পি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে একজন প্রধান শিক্ষক এবং দুজন শ্রেণি শিক্ষক নিয়োগ করা হোক।’

এবিষয়ে ফালাকাটা মণ্ডল পরিদর্শক (প্রাথমিক) রাজা ভৌমিক বলেন, ‘এলাকাবাসী স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছি।’