দক্ষিণ দিনাজপুরে কোথায় কোথায় লকডাউন? জেনে নিন

849

সুবীর মহন্ত, বালুরঘাট: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় বিকেল ৫টা থেকে শুরু হল লকডাউন। শেষ মুহূর্তে এসে শহরগুলিতে কন্টেনমেন্ট জোনের সংখ্যা ব্যাপক হারে কমিয়ে দেওয়া হল। বালুরঘাট শহরে ২৫টি ওয়ার্ডের বদলে মাত্র ১০টি ওয়ার্ডে, বুনিয়াদপুর পৌরসভার ১৪টি ওয়ার্ডের মধ্যে মাত্র ২টিতে এবং গঙ্গারামপুর পুরসভার ১৮টি ওয়ার্ডের মধ্যে মাত্র ২টিতে কন্টেনমেন্ট জোন করা হচ্ছে। গ্রামাঞ্চলেও গ্রামসংসদ ভিত্তিক কন্টেনমেন্ট জোন ঘোষণা করা হয়েছে।

বালুরঘাট শহরের ১, ৪, ৬, ৮, ১২, ১৩, ১৪, ১৫, ১৯, ২১ এই দশটি ওয়ার্ডে থাকছে কনটেনমেন্ট জোন। বুনিয়াদপুর পুরসভার ৮ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড এবং গঙ্গারামপুর পুরসভার ২ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডকে কন্টেনমেন্ট জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

- Advertisement -

এছাড়াও গ্রামাঞ্চলেও বেশ কিছু সংসদে থাকছে কনটেনমেন্ট জোন। বালুরঘাট ব্লকের ভাটপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য খিদিরপুর ও গাজীপুর, চিঙ্গিশপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব হরিহরপুর, বোল্লা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিকুচ ও বানহাট, পতিরাম গ্রাম পঞ্চায়েতের ঝাপুসি, জলঘর গ্রাম পঞ্চায়েতের চককাশি, চকভৃগু গ্রাম পঞ্চায়েতের চন্দ্রদৌলা ও চক চন্দন সংসদকে কন্টেনমেন্ট জোন করা হয়েছে। কুমারগঞ্জের রামকৃষনপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চকরামরাই, ভোওর গ্রাম পঞ্চায়েতের নারায়নপুর ও সিতাহার সংসদ, গঙ্গারামপুর ব্লকের উদয় গ্রাম পঞ্চায়েতের মোস্তফাপুর ও পঞ্চগ্রাম পইতাদিঘি, গঙ্গারামপুর গ্রামপঞ্চায়েতের গোপালপুর, চালুন গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রান সাগর ও সিলিমপুর, বেলবাড়ি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের মহারাজপুর ও উত্তর নারায়ণপুর, অশোকগ্রাম গ্রাম পঞ্চায়েতের দু’মুঠো ফরিদপুর, দমদমা গ্রাম পঞ্চায়েতের রঘুনাথ বাটি ও রামচন্দ্রপুর, হরিরামপুর ব্লকের সৈয়দপুর, বাগিচাপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের গুড়খইর, কুশমন্ডি ব্লকের মাঝপাড়া, মালিগাঁও গ্রাম পঞ্চায়েতের নানাহার, তপন ব্লকের তপন চন্ডিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কালিবাগ, গুরাইল গ্রাম পঞ্চায়েতের হাট দিঘি, হরসুরা গ্রাম পঞ্চায়েতের হরসুরা গ্রাম ও সুহরি, আজমতপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মনোহলি, হিলি গ্রাম ব্লকের বিনসিরা গ্রাম পঞ্চায়েতের বিনশিড়া গ্রাম ও পূর্ব মস্তাফাপুর, এই সমস্ত সংসদকেই কনটেইনমেন্ট জন হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে, সকাল আটটা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত নিত্যপ্রয়োজনীয় ও অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর দোকান খোলা থাকবে। এবাদে সমস্ত দোকান বন্ধ থাকবে। সমস্ত রকমের জমায়েতও নিষিদ্ধ করা হচ্ছে। তবে টোটো, বেসরকারী বা ব্যক্তিগত সমস্ত যান চলাচল বন্ধ রাখা হচ্ছে। তবে জাতীয় সড়কে চলাচল করা যানে কোনো বাধা থাকছে না। সরকারি অফিসগুলো ও বেসরকারি অফিসগুলোতে ৫০% কর্মী নিয়ে কাজ করবার কথা বলা হয়েছে।

সূত্রের খবর, প্রতিদিনের আক্রান্তের পরিসংখ্য়ান অনুযায়ী কন্টেনমেন্ট জোনের বদল হবে নতুন কন্টেনমেন্ট জোনে। দ্রুত সেই সব নতুন এলাকায় লকডাউন করা হবে।