লকডাউনে মিষ্টি কুমড়ো বিক্রি করতে না পেরে মাথায় হাত ফুলবাড়ির চাষিদের

355

শ্রীবাস মণ্ডল, ফুলবাড়ি: লকডাউনের কারণে পাইকারের দেখা মিলছে না। ফলে মিষ্টি কুমড়ো বিক্রি করা যাচ্ছে না। এতে মাথায় হাত পড়েছে কোচবিহার জেলার মাথাভাঙ্গা-২ ব্লকের অধীন ফুলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের মিষ্টি কুমড়ো চাষিদের। এবছর ফুলবাড়ির কাঁসাপাড়া, উত্তর ক্ষেতি, কাঁচাখাওয়া এলাকায় প্রচুর মিষ্টি কুমড়োর চাষ হয়েছে। কিন্তু পাইকাররা না আসায় ফসল বিক্রি করতে পারছেন না চাষিরা।

শীতকালে অনেকেই একই জমিতে আলুর সঙ্গে ‘সাথী’ ফসল হিসেবে মিষ্টি কুমড়ো চাষ করেন বাড়তি কিছু উপার্জনের আশায়। কিন্তু এবছর লকডাউনের কারনে পরিস্থিতি বদলে গিয়েছে। বাইরের পাইকাররা আসছেন না। স্থানীয় বাজারেও সেরকম দাম মিলছে না। ফলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে কুমড়ো চাষিদের কপালে।

- Advertisement -

কাঁসাপাড়ার কুমড়ো চাষি মনমোহন মণ্ডল বলেন, ‘আলুর সঙ্গে মিষ্টি কুমড়োর চাষ করেন এলাকার অনেক চাষি। এবছরও তা হয়েছে। কিন্তু ফসল বিক্রি করা যাচ্ছে না।’ একই কথা জানান সুকান্ত দাস, গোপাল মণ্ডল সহ অন্যরা। তাঁদের বক্তব্য, একই জমিতে একসঙ্গে দুটি ফসল চাষ করা হলে লাভ ভালো হয়। সেজন্যই আলুর সঙ্গে মিষ্টি কুমড়োর চাষ করা হয়। এবছর কুমড়োর ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু পাইকারের দেখা না মেলায় এবার আর মিষ্টি কুমড়ো বিক্রি করা যাবে কিনা, সেটা নিয়েই চিন্তিত চাষিরা।

মাথাভাঙ্গা-২ ব্লকের সহ কৃষি অধিকর্তা মলয়কুমার মণ্ডল বলেন, ’ব্লকের অন্য গ্রাম পঞ্চায়েতগুলির তুলনায় ফুলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বেশি মিষ্টি কুমড়োর চাষ হয়। এবছর ওই এলাকায় প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়োর চাষ হয়েছে।’