লকডাউনের একঘেয়েমি কাটাতে সৃজনশীলতাকে বেছে নিয়েছে উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী

200

বালুরঘাট: এখনও দুটো পরীক্ষা বাকি। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার মাঝপথেই লকডাউন। একদিকে করোনা আতঙ্ক, লকডাউনের বিধিনিষেধ, অন্যদিকে পরীক্ষার চিন্তা। ঘরবন্দি এই পরিস্থিতিতে প্রবল একঘেয়েমি কাটাতে সৃজনশীলতাকে বেছে নিয়েছে বালুরঘাট গার্লস হাই স্কুলের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার্থী সিমি দাস। পরিত্যক্ত সামগ্রী দিয়ে ফুলদানি ও ঘর সাজানোর বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি করে করেন্টাইন পালন করছেন এই ছাত্রী। একঘেয়েমি জীবনে বৈচিত্র্য আনতে এবং সৃজনশীল ধারা অব্যাহত রাখতেই এমন উদ্যোগ বলে জানিয়েছেন ছাত্রী সিমি দাস।

করোনা আতঙ্কের জেরে দেশজুড়ে লাগু হয়েছে দ্বিতীয় দফার লকডাউন। ঘর বন্দী অবস্থায় জীবন কাটাতে হচ্ছে পুরো দেশবাসীকে। এই দীর্ঘ ঘরবন্দি সময় কাটাতে বিভিন্ন মানুষ বিভিন্ন রকম উপায় খুঁজছেন। কিন্তু রাজ্যের ছাত্র-ছাত্রীদের বিশেষ করে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের টেনশনটা একটু অন্যরকম। পরীক্ষা শেষের আগেই লকডাউন হয়ে যাওয়ার কারণে তাদের পরীক্ষা এখনো বাকি রয়ে গিয়েছে। চকভৃগুর প্রিন্স ক্লাব পাড়া এলাকার ছাত্রী সিমি দাসের এখনো দুটো পরীক্ষা বাকি। করোনা সংক্রমনের আতঙ্ক তো রয়েইছে উপরন্ত ভূগোল ও সংস্কৃত পরীক্ষারও টেনশন রয়েছে। এই টেনশন কাটাতে বাইরে বেরোনোরও উপায় নেই। লকডাউনের এই সময়ে কোরেন্টাইন জীবনযাপনের জন্য সৃজনশীলতাকেই হাতিয়ার করেছে এই ছাত্রী।

- Advertisement -

পরিত্যক্ত বিভিন্ন সামগ্রী দিয়ে যেমন ফুলদানি তৈরি করছে, ঠিক তেমনি ভাবে কাগজ এর সাহায্যে ঘর সাজানোর ফেংসুই তৈরি করছে সিমি দাস। সিমির বাবা মধু দাস বলেন, ‘মেয়েটা পড়াশুনায় ভালো। কিন্তু লকডাউনের জেরে দুটি পরীক্ষা না হওয়ার কারণে টেনশনে রয়েছে। এই টেনশন কাটাতে নিজে থেকেই নানা দৃষ্টিনন্দন সামগ্রী বানিয়ে চলেছে মেয়েটি। তার দেখাদেখি পরিবারের অন্যরাও তাকে সহায়তা করছে।’ সিমি বলেন, ‘এখনও দুটি পরীক্ষা বাকি। টেনশন তো রয়েইছে। তার ওপরে লকডাউন ও করোনা সংক্রমণের ভয়াবহতার মধ্যে নিজেকে চিন্তা মুক্ত রাখতে ও সৃজনশীলতাকে বজায় রাখতে তাই এই হাতের কাজকেই বেছে নিয়েছি। এইভাবে দিব্যি সময় কেটে যাচ্ছে।’