প্রতীক্ষার অবসান, উদ্বোধন হল রাজ্যের দীর্ঘতম সেতু

344

হলদিবাড়ি: দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান। তিস্তা নদীর উপর নির্মিত রাজ্যের মধ্যে দীর্ঘতম ‘জয়ী সেতু’ উদ্বোধন হল সোমবার। এদিন শিলিগুড়ির বাঘা যতীন পার্কে উত্তরবঙ্গ উৎসবের উদ্বোধনের মঞ্চ থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সেতুটির উদ্বোধন করলেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভার্চুয়ালি সেতুর উদ্বোধনকে সামনে রেখে প্রশাসনের তরফে হলদিবাড়ি ব্লকের জয়ী সেতুর প্রবেশ পথে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জায়ান্ট স্ক্রিনের মাধ্যমে সরাসরি সেতুর উদ্বোধনের দৃশ্য সম্প্রচারিত হয়। অন্যদিকে, হলদিবাড়িতে উদ্বোধনী শিলা ফলকের আবরণ উন্মোচন করেন মেখলিগঞ্জের বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধান ও জেলা শাসক পবন কাদিয়ান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হলদিবাড়ির বিডিও তাপসী সাহা, চ্যাংরাবান্ধা উন্নয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পরেশচন্দ্র অধিকারী, জেলা পরিষদের খাদ্য কর্মাধক্ষ্য গোপাল রায়, পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি নূপুর বর্মন, হলদিবাড়ি পুরসভার চেয়ারপার্সন শঙ্করকুমার দাস, পূর্ত দপ্তরের নর্দান জোনের চিফ ইঞ্জিনিয়ার ভাস্কর ঘোষ সহ অন্যান্যরা।

শিল্যান্যাসের মতো উদ্বোধনের দিন মুখ্যমন্ত্রী সশরীরে উপস্থিত থাকতে না পারায় আশাহত মহকুমার মানুষ। তবুও এদিন সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানকে ঘিরে নদীর দুই প্রান্তের মানুষের মধ্যে বাঁধভাঙা আবেগ দেখা যায়। সদ্য উদ্বোধন হওয়া সেতু পুরোটাই মানুষের দখলে চলে যায়। সেতুর উপর তিল ধারণের জায়গা ছিল না।

- Advertisement -

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘জয়ী সেতু রাজ্যের মধ্যে দীর্ঘতম নদী সেতু। প্রায় তিন কিলোমিটার দীর্ঘ এই সেতু নির্মাণে প্রায় পাঁচশো কোটি টাকা খরচ হয়েছে। এই সেতু তৈরি হওয়ার ফলে সড়ক পথে হলদিবাড়ি ব্লক থেকে মেখলিগঞ্জের দূরত্ব প্রায় ৬০ কিলোমিটার কমে মাত্র ১২ কিলোমিটার হবে।’ একইসঙ্গে তিনি জনগনের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘এই সেতুটি আপনাদের নিজের সেতু। এটি পরিস্কার রাখা ও এটি ভালো রাখার দ্বায়িত্ব আপনাদের নিজেদের।’