রুজির সংকটে লটারি বিক্রেতারা

152

রাঙ্গালিবাজনা: ক’দিন আগেও ‘ভাগ্যের ফেরিওয়ালা’ ছিলেন লটারি বিক্রেতারা। কিন্তু লকডাউনে ফাঁপরে পড়েছেন ওঁরাই। অন্যের কাছে সৌভাগ্যের স্বপ্ন ফেরি করা তো দূরের কথা, নিজেদের অন্ন জোটানোই মুশকিল হয়ে পড়েছে। কার্যত লকডাউন শুরু হতেই লটারির কারবার বন্ধ হয়ে গিয়েছে। পেটের দায়ে লটারি বিক্রেতাদের কেউ সবজির ব্যবসা শুরু করেছেন, কেউ আবার দিনমজুরের কাজ করছেন। কিন্তু রুজির নয়া ক্ষেত্রে প্রতি পদে হোঁচট খেতে হচ্ছে তাঁদের। এদিকে, ঘরে বাড়ছে আর্থিক অনটন। তাই কবে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে, সেই চিন্তায় এখন লটারি বিক্রেতাদের ঘুম উবে গিয়েছে।

মোজাম্মেল হকের কথাই ধরা যাক। মাদারিহাটের দক্ষিণ খয়েরবাড়ির মোজাম্মেল লটারির কারবার বন্ধ হওয়ার পর সবজির ব্যবসা শুরু করেছেন। কখনও বাড়ি বাড়ি ঘুরে সবজি বিক্রি করছেন, আবার কখনও তিনি লিচু বিক্রি করে দু’পয়সা রোজগারের চেষ্টা করছেন। মোজাম্মেল বলেন, ‘চারজনের সংসার। এভাবে কতদিন অন্ন জোটাতে পারব জানি না।’ রাঙ্গালিবাজনা-ফালাকাটা রোডের মাদ্রাসা মোড়ে লটারি কাউন্টার ছিল আমানুর রহমানের। লটারির কারবার বন্ধ হওয়ার পর বাধ্য হয়ে মাদারিহাটে দিনমজুরের কাজ করতে হচ্ছে তাঁকে। তাঁদের বক্তব্য, কার্যত লকডাউনের মেয়াদ বাড়লে কষ্টও আরও বাড়বে।

- Advertisement -