অশ্বীনের সমর্থনে সমালোচকদের তোপ লায়োনের

সিডনি : বিশ্বের সর্বত্র আমরা সিমিং উইকেটে খেলে বেড়াই। ৪৭, ৬০ রানেও অলআউট হতে হয়েছি। তখন তো কেউ পিচ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন না? অথচ, স্পিন করলেই প্রত্যেকে কান্না জুড়ে দেন! প্রথম বল থেকে টার্ন করাটা আমার কাছে উপভোগ্য, আকর্ষণীয় ছিল। বক্তা আর কেউ নন নাথান লায়োন।

বিশ্বের সেরা স্পিনারের দ্বৈরথ সরিয়ে অশ্বীনের পাশে এভাবেই দাঁড়ালেন অস্ট্রেলিয়ার এক নম্বর স্পিনার। একদা পিচ প্রস্তুতকারকের দায়িত্ব সামলানো লাযোন ভারত-ইংল্যান্ড ম্যাচ দেখতে রাত জেগে টিভির পর্দায় চোখ রেখেছিলেন। স্পিনারদের দাপটে দেখে রীতিমতো উত্তেজিত। মজাদার প্রস্তাবও দিয়েছেন লায়োন। বলেন, যেভাবে বল টার্ন করেছে, স্পিনাররা দাপট দেখিয়ে তা এককথায় দুর্দান্ত। আমিও ভাবছি, এই পিচ প্রস্তুতকারকে যদি সিডনি ক্রিকেট মাঠের জন্য আনা যায়।

- Advertisement -

স্পিন-সহায়ক পিচে ইংল্যান্ডের চার পেসার খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। বললেন, এই টেস্টের সেরা বিষয় হল ইংল্যান্ডের চার পেসার নিয়ে খেলা। এর বেশি কিছু বলার প্রয়োজন পড়ে না। অশ্বীনও সমালোচকদের একহাত নিয়ে বলেছেন, ভালো পিচ কাকে বলে? কে ঠিক করবে? প্রথম দিনে সিম করবে, তারপর ব্যাটিং এবং শেষ দুদিনে স্পিন? কে বা কারা ভালো পিচের এই নিয়মটা তৈরি করেছে?

ইংল্যান্ডের প্রাক্তন স্পিনার মন্টি পানেসর অবশ্য বিপরীত রাস্তাতেই হাঁটলেন। চতুর্থ টেস্টেও পিচের হাল একই হলে আইসিসির হস্তক্ষেপ দাবি জানিয়ে বলেন, পরের টেস্টের হালও যদি একই হয়, তাহলে আইসিসির উচিত ভারতের পয়েন্ট কেটে নেওয়া। বিশ্বের বৃহত্তম ক্রিকেট স্টেডিয়াম নিয়ে সবাই উৎসাহী ছিলেন। টার্নিং পিচ তৈরি করলেও, আরও ভালো উইকেট হওয়া উচিত ছিল। চেন্নাইয়ে পিচ নিয়ে প্রচুর সমলোচনা হয়েছে। কিন্তু এটা তারচেয়ে খারাপ।

পানেসরের অভিযোগ, যেভাবে পটাপট উইকেট পড়ছিল, মনে হচ্ছিল টেস্ট নয় ক্লাব ক্রিকেট দেখছেন। ইংল্যান্ডের ক্লাব ক্রিকেট মনে হচ্ছিল। প্রতিপক্ষকে ১০০-র মধ্যে আটকে রাখা এবং টার্নিং পিচে সেই রান তুলতে হিমসিম খাওয়া। আমার মতে, বিশ্বের বৃহত্তম স্টেডিয়াম আরও লম্বা টেস্ট প্রাপ্য ছিল। অসাধারণ স্টেডিয়াম। সেখানে ৯০০-র কম বলে টেস্ট ম্যাচ শেষ! এই ধরনের ক্রিকেট পার্কের মধ্যেই ঠিক, কটাক্ষ প্রাক্তন স্পিনারের।