‘বিরাট’কে সংরক্ষণ করতে চায় মহারাষ্ট্র সরকার

231

নয়াদিল্লি: আইএনএস বিক্রান্তের মতোই আইএনএস বিরাট যুদ্ধ জাহাজকে ভেঙে ফেলার দায়িত্ব নিয়েছিল শ্রী রাম গ্রুপ। স্বাভাবিক ভাবেই ঐতিহ্যবাহী রণতরীর ভবিষ্যৎ জেনে অনেকেই হতাশ হয়েছিলেন। কিন্তু সোমবার দুশ্চিন্তার কালো মেঘ কিছুটা সরল। গৌরবময় এই রণতরীকে সংরক্ষণ করতে আজ, সোমবার শিবসেনা সাংসদ প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী প্রতিরক্ষামন্ত্রকে চিঠি লিখেছেন।

চিঠিতে প্রিয়ঙ্কা চতুর্বেদী লিখেছেন, মহারাষ্ট্র সরকার ঐতিহাসিক রণতরী আইএনএস বিরাটকে সংরক্ষণ করতে চায়। বলেছেন, ‘‘গুজরাটের আলংয়ে আইএনএস বিরাট ভাঙার কাজ শুরু হয়েছে শুনে আমি দুঃখিত।”

- Advertisement -

এদিকে আলাংয়ে ইতিমধ্যেই এই রণতরী ভেঙে ফেলার কাজ শুরু হয়েছে। তবে শ্রী রাম গ্রুপের চেয়ারম্যান মুকেশ পাটেল সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন, যদি পুরো টাকা দেওয়া হয় এবং সরকার প্রদত্ত অনাপত্তি পত্র আসে তাহলেই এই প্রক্রিয়ায় আইএনএস বিরাটের সংরক্ষণ সম্ভব।

আইএনএস বিরাট ১৯৮৯ সালে শ্রীলঙ্কায় শান্তি রক্ষায় অপারেশন জুপিটারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। আইএনএস বিরাট থেকে নিয়ন্ত্রণ করা হত ভারতীয় হেলিকপ্টার ‘ধ্রুব’ ও রাশিয়ার ‘কামোভ-৩১’। ২০০১ সালে সংসদে জঙ্গি হামলার পর সন্ত্রাস দমনে অপারেশন ‘পরাক্রমের’ অংশ ছিল আইএনএস বিরাট। ১৯৯৯ সালে কার্গিল যুদ্ধে করাচি বন্দরের উপর কড়া নজরদারি চালিয়েছে এই রণতরী। সমুদ্রে অতন্দ্র প্রহরী হিসাবে ভারতের জল সীমানা রক্ষা করেছে ৩০ বছর।