চাঁচল, ৩ সেপ্টেম্বরঃ মদ্যপ স্বামী সহ শ্বশুরবাড়ির লোকেদের অত্যাচারের হাত থেকে রেহাই পেতে বেছে নিয়েছিল আত্মহত্যার পথ। কিন্তু কথায় আছে না ‘রাখে হরি মারে কে’। তিন বছরের পুত্র সন্তানকে কোলে নিয়ে রেললাইনে বসে মৃত্যুর জন্য অপেক্ষা করছিলেন এক গৃহবধূ। এমনই সময় এক পথচারী বিষয়টি লক্ষ্য করে নিজের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ওই মহিলা ও শিশুটিকে আত্মহত্যার হাত থেকে বাঁচান। মঙ্গলবার বিকেলে ঘটনা ঘটে রতুয়া থানার সামসি রেল গেটের কাছে। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা ওই মহিলা ও শিশুটিকে সামসি ফাঁড়িতে নিয়ে যান। সেখানে এক পুলিশ আধিকারিক ওই মহিলাকে আশ্রয় দিতে নাকোচ করেন। বাধ্য হয়ে ওই মহিলা ও শিশুটি একটি দোকানের সামনে আশ্রয় নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই মহিলার নাম মৌসুমি বেগম (২৪)। বাড়ি পুকুরিয়া থানার পরানপুরের চড়কটলা গ্রামে। স্বামীর নাম জিয়ারুল হক। ওই গৃহবধূর বাপের বাড়ি নেপালে। তাঁদের একটি পুত্র সন্তান রয়েছে। বিয়ের পর থেকেই স্বামী জিয়ারুল হক মদ্যপ অবস্থায় মৌসুমির ওপর অত্যাচার চালাতে বলে অভিযোগ।

মহকুমা পুলিশ আধিকারিক সজলকান্তি বিশ্বাস বলেন, ‘ওই মহিলাকে তাঁর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করছি। পুলিশ আধিকারিকের নাকোচ করার বিষয়টি নিয়ে কোনও ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে। সেটি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’