লাদাখে শহীদ বাংলার ২ জওয়ানের পরিবারের জন্য ৫ লক্ষ টাকা ও চাকরির ঘোষণা মমতার

ফাইল ছবি

অনলাইন ডেস্ক: সোমবার রাতে পূর্ব লাদাখের গালওয়ান ভ্যালিতে চিনা সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে ২০ জন ভারতীয় জওয়ান শহিদ হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে বাংলার ২ জওয়ানও রয়েছেন।

বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ওই ২ জওয়ানের পরিবারের জন্য ৫ লক্ষ টাকা করে ক্ষতিপূরণ ও ১ জন সদস্যকে সরকারি চাকরি দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেন। বাংলার শদীদ ২ জওয়ানের একজন বীরভূম জেলার মহম্মদবাজার থানার ভূতুড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের রাজেশ ওঁরাও। আরেকজন আলিপুরদুয়ার জেলার টটপাড়া-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের বিন্দিপাড়ার বিপুল রায়।

- Advertisement -

এদিন টুইটে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, গলওয়ান ভ্যালিতে ঘটনায় যারা শহিদ হয়েছেন তাঁদের প্রতি আমার আন্তরিক শ্রদ্ধা। অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি শহিদদের মধ্যে বাংলারও দুই সন্তানও রয়েছে। আরেকটি টুইটে মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, এই আত্মত্যাগের কোনও ক্ষতিপূরণ হয় না। এই কঠিন সময়ে বাংলার দুই সন্তানের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে চাই। সেই কারণে প্রতি পরিবারকে ৫ লক্ষ টাকা আর পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দেওয়া হবে।

উল্লেখ্য, প্রায় দেড় মাস ধরে পূর্ব লাদাখে ভারত-চিন সীমান্তে উত্তেজনা চলছে। দুই দেশই সীমান্তে প্রচুর সংখ্যক সেনা মোতায়েন করছে। লাইন অফ অ্যাকচুয়াল কন্ট্রোল বা প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা পেরিয়ে বারবার ভারত ভূখন্ডে ঢুকে পড়ার অভিযোগ উঠেছে চিনা সেনার বিরুদ্ধে। ৫ মে প্যাংগং লেকের কাছে ভারতীয় ও চিনা সেনার মধ্যে হাতাহাতি হয়। স্থানীয়ভাবে ঝামেলা মেটানোর চেষ্টা করা হলেও, কোনও লাভ হয়নি।

লাদাখে ভারত-চিন সীমান্তে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে কয়েকদিন আগে জানিয়েছিলেন সেনাবাহিনীর প্রধান মনোজ মুকুন্দ নারাভানে। সেনাপ্রধান বলেছিলেন, ‘ভারত-চিন সীমান্তে পরিস্থিতি পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।’ কিন্তু তারপর সোমবার রাতে যেভাবে লাদাখের গালিয়ান ভ্যালিতে চিনা সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষ হল, তাতে লাদাখের পরিস্থিতি কতটা নিয়ন্ত্রণে রয়েছে সেই প্রশ্ন উঠছে।