সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপি একই দল, কটাক্ষ মমতার

86

হেমতাবাদ ও কালিয়াগঞ্জ: সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপি একই দল। সোমবার উত্তর দিনাজপুরের হেমতাবাদে নির্বাচনি সভা থেকে বিরোধীদের এভাবেই কটাক্ষ করলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একইসঙ্গে সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপিকে জগাই-মাধাই-গদাই বলে তোপ দাগেন তিনি। এদিন হেমতাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রের মহারাজা হাট মাঠ এলাকায় জনসভা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সভায় উপস্থিত ছিলেন রায়গঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থী কানাইলাল আগরওয়াল, ইটাহার বিধানসভার প্রার্থী মোশারফ হোসেন, করণদিঘি বিধানসভার প্রার্থী গৌতম পাল, হেমতাবাদ তৃণমূল বিধানসভার প্রার্থী সত্যজিৎ বর্মন সহ তৃণমূলের জেলা নেতারা।

এদিন সভা থেকে মমতা বলেন, ‘উত্তর দিনাজপুর জেলা এমন একটা জায়গা যা সভ্যতার পিঠস্থান, সংস্কৃতির পীঠস্থান। ইটাহার, রায়গঞ্জ, কালিয়াগঞ্জ, হেমতাবাদ সমস্ত আসনেই তৃণমূল জিতুক। বিনা পয়সায় যদি সবকিছু পেতে হয় তাহলে মনে রাখবেন তৃণমূল কংগ্রেসকে ভোট দেওয়া জরুরি। বিজেপিকে ভোট দেবেন না। সিপিএম, কংগ্রেসকে ভোট দিয়ে কোনও লাভ নেই। সিপিএম, কংগ্রেস এবং বিজেপি একই দল। তারা বলছে তৃণমূলকে হারাতে হবে। আর আমি বলছি তৃণমূলকে হারালে বাংলা শেষ হয়ে যাবে। সেই কারণে তৃণমূলকে হারালে হবে না তৃণমূলকেই জেতাতে হবে।’ মমতা বলেন, ‘একটা প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তিন মাস ধরে কলকাতায় পড়ে আছেন। আমার আদিবাসী ভাই-বোনেরা জয় জোহার থেকে শুরু করে তপশিলি ভাই-বোনেরা প্রত্যেকে মনে রাখবেন আমি ‘তপশিলি বন্ধু’ করে দিয়েছি। ৬০ বছর হলেই এক হাজার টাকা করে পেনশন পাচ্ছে।’

- Advertisement -

হেমতাবাদে সভার পর কালিয়াগঞ্জে জনসভায় যোগ দেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচন বাংলা বাঁচানোর নির্বাচন। আগামীতে রবীন্দ্রনাথ থাকবে কিনা, সুভাষচন্দ্র থাকবে কিনা, ঠাকুর পঞ্চানন থাকবে কিনা, তার নির্বাচন।’ তাঁর ভাষণের বেশিরভাগটাই ছিল বিজেপির নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শা’কে আক্রমণ। এদিকে, কর্মীদের করোনা পরিস্থিতি নিয়েও সতর্ক করেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলায় করোনা এনেছেন মোদি এবং অমিত শা, আর তাঁদের ভাড়াটে বাহিনী। বাংলায় গত ৫ মাসে করোনা ছিল না।’ প্রধানমন্ত্রীর কাছে বারবার টিকা চেয়েও তিনি টিকা পাননি বলেও অভিযোগ করেন।