রাজ্যে কেন্দ্রীয় এজেন্সির তল্লাশিতে ক্ষুব্ধ মমতা

531

কলকাতা: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শা-র বাংলা সফরের মধ্যেই বৃহস্পতিবার সিবিআই ও আয়কর দপ্তর রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় হানা দেয়। এই হানাদারির কথা আগাম রাজ্য পুলিশকে না জানানোয় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায ক্ষোভপ্রকাশ করেছেন। নবান্নে প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি বৃহস্পতিবার বলেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নেমন্তন্ন খেয়ে বেড়াচ্ছেন। এদিনই সিআরপিএফ নিয়ে কেন্দ্রীয় এজেন্সি বিভিন্ন জায়গায় পুলিশকে না জানিয়ে হানা দিচ্ছে। কী প্ল্যানিং!

কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতার এক নির্মাণ ব্যবসাবীর ফ্ল্যাট সহ মোট চার জায়গায় এদিন সিবিআই তল্লাশি চলে। গোরুপাচারের তদন্তে নেমে মানিকতলা মেন রোডে একটি অভিজাত আবাসনের ১৪ তলার ফ্ল্যাটেও হানা দেয় সিবিআই। কিছুদিন আগে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর এক কমান্ডান্টের বাড়ি সহ এই রাজ্যের বেশ কয়েকটি জায়গায় সিবিআই তল্লাশি করেছিল। সূত্রের খবর, পাচারের টাকার সূত্রে রাজন পোদ্দার নামে এক ব্যবসায়ীর নাম উঠে আসে। সাতটি সংস্থার ডিরেক্টর তিনি। পূর্ব কলকাতায় একটি রিয়াল এস্টেট কোম্পানি রয়েছে তাঁর।

- Advertisement -

উত্তরবঙ্গে একটি সংস্থার খবরও পেয়েছে সিবিআই। বাংলাদেশে গোরুপাচার সিন্ডিকেটের পান্ডা এনামুল হকের বিপুল অর্থ রোজগারের সঙ্গে রাজনের ব্যবসাযী যোগ খুঁজে পেয়েছে সিবিআই। এর আগে সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কমান্ডান্ট, তাঁর ছেলে, এনামুল হক ছাড়াও বাহিনীর একাধিক অফিসার ও শুল্ক দপ্তরের অফিসারদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। সতীশকুমার নামে বাহিনীর এক কমান্ডান্টের সল্টলেকের বাড়িতে তল্লাশি হয়। সতীশের বাড়িতে আয়ের সঙ্গে সঙ্গতিহীন বিপুল পরিমাণ টাকার সন্ধান পাওযা যায়। পাওযা যায় বহু স্থাবর, সম্পত্তির খোঁজ।

সিবিআই আধিকারিকদের দাবি, রাজন জানিয়েছেন, তাঁর সঙ্গে রাজনৈতিক নেতাদের যোগাযোগ রয়েছে। এদিন আসানসোল এলাকা সহ রাজ্যের বহু জায়গায় আয়কর দপ্তরের আধিকারিকরাও হানা দেন। তবে কোথাও স্থানীয় পুলিশকে সঙ্গে নেননি তাঁরা।