‘মদ্যপ’ স্ত্রী শারীরিক-মানসিক নির্যাতন করেন, সুরক্ষা চেয়ে থানায় বেচারা স্বামী

1008

আহমেদাবাদ: মদ্যপ অবস্থায় শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করেন। বহু অনুরোধ সত্বেও কোনও কথাই কানে তোলে না। কমে না অত্যাচারের মাত্রা। উপরন্তু তাঁদের বিরুদ্ধেই পুলিশে নাকি নালিশ জানিয়েছে নির্যাতনের অভিযোগে। বাধ্য হয়ে এবার অত্যাচারের প্রতিকার চেয়ে খোখরা থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন ‘নির্যাতিত’ স্বামী। ঘটনাটি আমদাবাদ শহরের মণিনগর এলাকার। পুলিশের কাছে বয়ান দিয়ে সুরক্ষার আবেদন করেছেন ওই ব্যক্তি। পুলিশ সূত্রে জানানো হয়েছে, অভিযোগ খতিয়ে দেখে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগকারীর দাবি, বাড়িতে অশান্তি হলেই স্ত্রী তাঁর ওপর চড়াও হয়। মদ্যপ অবস্থায় তাঁর কর্মস্থলে গিয়েও তাণ্ডব করে। চিৎকার, চেঁচামেচি করে তাঁকে অপ্রস্তুতে ফেলে। সেই সব অশান্তি আর সহ্য করতে পারছে না পরিবার। তিনি নিরাপত্তার অভাব বোধ করছেন, সেখান থেকেই পুলিশের দ্বারস্থ হন এ দিন।

- Advertisement -

অভিযোগকারীর বয়ান অনুযায়ী, ২০১৮ সালে প্রেম করেই ওই মহিলার সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। বিয়ের আগে তিনি স্ত্রীর মাদকাসক্তির কথা জানতেন না। কিন্তু বিয়ের পর তিনি জানতে পারেন, স্ত্রী মদ খান, নেশাগ্রস্ত। মদের নেশায় চুর হয়ে স্বামী ও শ্বশুর, শাশুড়ির ওপর শারীরিক, মানসিক নির্যাতন করতেন ওই মহিলা। এমনকি স্বামীর কর্মস্থলে গিয়েও অশান্তি করেছেন একাধিকবার।

যুবক জানিয়েছেন, স্ত্রী প্রথম থেকেই তাঁর বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকতে নারাজ। তাই তাঁদের তাড়ানোর জন্য বহু ফন্দি করেছে। তাঁরা আলাদাও হয়ে গিয়েছিলেন। কিন্তু জুন মাসে করোনা আক্রান্ত হন বাবা-মা। সেই সময় বাবা-মায়ের দেখাশুনা করার জন্য তিনি ফের বাড়িতে ফিরে আসেন। তারপরে ফের শুরু হয় অশান্তি। বাবা-মা অসুস্থ থাকলেও, তাঁদের দিকে ফিরে তাকায়নি। বরং, অসুস্থ শ্বশুর শাশুড়ির দেখাশোনা করার বিনিময়ে বাড়ি তাঁর নামে লিখে দেওয়ার জন্য চাপ দিতে থাকেন ওই মহিলা। খুন করার হুমকিও দেন। মহিলা হেল্পলাইনে ফোন করে মিথ্যা অভিযোগ জানান। এরপরেই নিরাপত্তা চেয়ে পুলিশের দ্বারস্থ হন যুবক। ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।