বেপরোয়া বাইক চালানোর প্রতিবাদ করায় হামলার মুখে যুবক

346

বর্ধমান: বেপরোয়াভাবে বাইক চালানোর প্রতিবাদ করায় হামলার মুখে পড়লেন এক যুবক। অভিযুক্ত বাইকচালক ওই যুবককে ছুরি দিয়ে আঘাত করে বলে অভিযোগ। ঘটনায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের জামালপুর থানা সংলগ্ন মাছ বাজার এলাকায়। গুরুতর জখম যুবক তিননাথ মণ্ডল বর্তমানে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। শনিবার ধৃত অরুণ পরামাণ্যকে বর্ধমান আদালতে তোলা হলে তাকে ৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জেল হেপাজতের নির্দেশ দেন ভারপ্রাপ্ত সিজিএম।

জখম যুবক তিননাথ মণ্ডলের বাড়ি জামালপুরের উত্তর মোহনপুর গ্রামে। জামালপুর বাসস্ট্যান্ড লাগোয়া মাছের ব্যবসা রয়েছে তাঁর পরিবারের। তিননাথের কাকা শ্রীবাস মণ্ডল শুক্রবার রাতে বাইকচালক অরুণ পরামান্যর বিরুদ্ধে জামালপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। শ্রীবাসবাবুর অভিযোগ, গতকাল বিকেল ৫টা নাগাদ তিনি ও তাঁর ভাইপো তিননাথ মাছের আড়তে বসেছিলেন। সেই সময় স্থানীয় যুবক অরুণ পরামাণ্য মদ্যপ অবস্থায় বেপরোয়াভাবে বাইক চালিয়ে তাঁদের কাছে এসে দাঁড়ায়। অরুণের বেপরোয়া বাইক চালানোর প্রতিবাদ করেন তিননাথ। তাতে ক্ষিপ্ত হয়ে অরুণ তাঁদের মাছের আড়তের ঘরে ভাঙচুর চালানো শুরু করে দেয়। আড়তের ক্যাশবাক্সে থাকা দু’হাজার টাকা অরুণ ছিনিয়ে নিতে গেলে তাতে বাধা দেন তাঁরা। তখনই অরুণ আড়তের সামনে পড়ে থাকা বাঁশ নিয়ে শ্রীবাসবাবুকে মারতে শুরু করে। ভাইপো তিননাথ তাঁকে বাঁচাতে গেলে অরুণ নিজের কাছে থাকা ছুরি দিয়ে তিননাথের শরীরের একাধিকবার আঘাত করে। ঘটনায় গুরুতর জখম হন তিননাথ। শ্রীবাসবাবু চিৎকারে আশপাশের লোকজন সেখানে ছুটে আসেন। এরপরই সেখান থেকে চম্পট দেয় অরুণ। রক্তাক্ত তিননাথকে উদ্ধার করে জামালপুর ব্লক স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসার পর রাতে তিননাথকে বর্ধমান মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।

- Advertisement -

পুলিশ জানিয়েছে, আক্রান্তের পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে নির্দিষ্ট ধারায় মামলা রুজু করে অভিযুক্ত অরুণের খোঁজ শুরু করা হয়। গভীর রাতে হরেকৃষ্ণ কোঙার সেতু লাগোয়া বাড়ি থেকে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়।