ম্যাঞ্চেস্টার সিটির অপেক্ষা বাড়াল চেলসি

ম্যাঞ্চেস্টার : স্টেডিয়ামে প্রবেশের অনুমতি নেই। তবু বাইরে কয়েকশো সমর্থক। যেন ট্রফি জয়ে সেলিব্রেশনের অপেক্ষা মাত্র।

ইত্তিহাদ স্টেডিয়ামের বাইরের ছবিটা নব্বই মিনিট পর সম্পূর্ণ অন্যরকম। শুনশান, শান্ত, নীরব। সৌজন্যে চেলসির অনবদ্য ফুটবল। আর তার জেরেই ইপিএল জয়ে অপেক্ষা বাড়ল ম্যাঞ্চেস্টার সিটির। পেপ গুয়ার্দিওলারও। তবে শুক্রবার নিউক্যাসেলকে হারাতে পারলে লিগ খেতাব ঘরে তুলবে ম্যান সিটি।

- Advertisement -

হাইভোল্টেজ ম্যাচের পারদ চড়েছিল আরও একটি কারণে। ২৯ মে ইস্তানবুলে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালে মুখোমুখি ম্যান সিটি-চেলসি। তাই শনিবাসরীয় দ্বৈরথ আক্ষরিক অর্থেই ছিল দুদলের কাছে ড্রেস রিহার্সাল। আর সেই মঞ্চে নিজেদের আস্তিনের সেরা তাস লুকিয়ে রাখতে দেখা গেল দুদলের কোচকে। তবে ম্যাচ শেষে পোড়খাওয়া পেপকে টেক্কা দিলেন তুখোড় টমাস টুচেল। খেলার পর বেশ কিছুক্ষণ খোশগল্পে মাততে দেখা গেল দুদলের কোচকে। সাংবাদিক সম্মেলনে সেপ্রসঙ্গ উঠতেই পেপের রসিকতা, টুচেলের কাছ থেকে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের কৌশল জেনে নিলাম।

শনিবার ম্যাচের শুরু থেকে আধিপত্য ছিল সিটির। তবে খেলার স্রোতে বিপরীতে গোল পেয়ে গিয়েছিল চেলসি। ৩২ মিনিটে দলকে এগিয়ে দিয়েছিলেন টিমো ওয়ার্নার। তবে তা বাতিল হয় অফসাইডের কারণে। ৪৪ মিনিটে ১-০ করেন রাহিম স্টার্লিং। তার রেশ কাটতে না কাটতেই পেনাল্টি আদায় করে নেন সিটির স্ট্রাইকার গ্যাব্রিয়েল জেসুস। পেনাল্টি থেকে পানেনকা কিকে গোলের চেষ্টা করেছিলেন সার্জিও আগুয়েরো। কিন্তু সেই কৌশল ধরা পড়ে যায় চেলসির গোলরক্ষক এডুয়ার্ডো মেন্ডির গ্লাভসে। যা নিয়ে ম্যাচের পর সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন আর্জেন্টাইন তারকা। আগুয়েরো বলেন, পেনাল্টি নষ্ট করে অপরাধ বোধ হচ্ছে। সতীর্থ, স্টাফ, সাপোর্টারদের কাছে তাই ক্ষমা চাইছি। হারের দায় মাথা পেতে নিচ্ছি। শট নির্বাচনে ভুল করেছি।

ম্যাচের পরের ৪৫ মিনিট ইত্তিহাদ সাক্ষী থাকল চেলসির দুরন্ত কামব্যাকের। ৬৩ মিনিটে হাকিম জিয়েচ আর সংযুক্তি সময়ে মার্কোস অ্যালেন্সোর গোলে ২-১ ম্যাচ ছিনিয়ে নিল ব্লুজ বাহিনী। আর তাতে জয়ের হাসি চেলসি সমর্থক ও টুচেলের মুখে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ফাইনালের আগে এই জয় ছেলেদের আত্মবিশ্বাস কয়েকগুণ বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন চেলসির জার্মান কোচ।