পুজোর আগে হাট না জমায় চিন্তায় ব্যবসায়ীরা

181

চালসা: সামনেই দুর্গাপুজো। তার আগে চালসার মঙ্গলবাড়ি সাপ্তাহিক হাট না জমায় চিন্তায় কাপড় বিক্রেতারা। গতবছরও করোনার থাবায় ব্যবসায় প্রভাব পড়েছিল। এবারও সেই একই পরিস্থিতি। তার ওপর অনলাইন ব্যবসা রমরমা। লাভের আশায় অনেকেই দোকানো নতুন কাপড় তুলেছেন। তাঁরাও এখন হতাশাগ্রস্ত।

প্রতি বৃহস্পতিবার জলপাইগুড়ি জেলা পরিষদের অন্তর্গত মঙ্গলবাড়ি বাজারে সাপ্তাহিক হাট বসে। দুর্গাপুজোর আগে আর দুটি সাপ্তাহিক হাট রয়েছে। মূলত চা বাগান এবং গ্রামাঞ্চল থেকে আসা ক্রেতাদের ওপরই বিক্রেতারা নির্ভর করেন। গতবছর করোনার দাপটে বহুদিন হাট-বাজার বন্ধ ছিল। এই হাটের ওপর মাল, নাগরাকাটা ও মেটেলি ছাড়াও ডুয়ার্সের বিভিন্ন এলাকার ব্যবসায়ীরা নির্ভরশীল। মাল হাট ব্যবসায়ী সমিতির সম্পাদক কমল দত্ত জানান, এখন চা বাগানের অনেক ক্রেতারাই অনলাইন কেনাকাটায় ঝুঁকেছেন। পুজোর আগে বিক্রির আশায় জিনিস দোকানে তোলা হয়েছে। বিক্রি না হলে কর্মচারীদের বেতন কিভাবে দেবেন সেটাই চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্যবসায়ী রতন মণ্ডল জানান, দীর্ঘদিন ধরে মঙ্গলবাড়ি হাটে দোকান করেন। কারোনার জেরে চরম আর্থিক সংকটে রয়েছেন। এদিন হাটে শুধু কাপড়ের দোকান নয়, ক্রেতাশূন্য ছিল জুতো সহ অন্য দোকানও।

- Advertisement -