ডাইভারশনের বাঁশের সাঁকো ভেঙে যাওয়ার বিপাকে বহু মানুষ

বীরপাড়া: ভারী বর্ষণের ডাইভারশনের বাঁশের সাঁকো ভেঙে যাওয়ায় সমস্যায় পড়েছেন খগেনহাট বাজারের ব্যবসায়ী সহ এলাকার সাধারণ মানুষ।

বৃহস্পতিবার বারবাক নদীর ওপর ডাইভারশনের বাঁশের সাঁকোর দাবিতে খগেনহাট বাইপাস রোড অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। বেলা সাড়ে বারোটা থেকে বিকাল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত এই অবরোধ চলে। তিন ঘন্টা অবরোধে জেরে রাস্তার ওপর যানজটের সৃষ্টি হয়। যদিও পরে জটেশ্বর ফাঁড়ির পুলিশ এবং ধনীরামপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান নিতাই দাস, পঞ্চায়েত সদস্য স্বপনকুমার রায়, হরিপদ রায় এসে অবরোধকারীদের সাঁকো তৈরির আশ্বাস দিলে অবরোধ উঠে যায়।

- Advertisement -

উল্লেখ্য, গত সোমবার রাতে ভারী বর্ষণের জেরে খগেনহাট বাজারের পাশ দিয়ে চলা বারবাক নদীর ওপর ডাইভারশনের বাঁশের সাঁকো ভেঙে যায়। সেদিন থেকে নদী সমস্যায় পড়েছেন খগেনহাট বাজারের ব্যবসায়ী সহ এলাকার মানুষ।

অবরোধকারীদের মধ্যে ভূপেন রায়, নিরঞ্জন রায়রা জানান, আগে বাজারে যেতে ৩০ মিটার সাঁকো পেরোতে হত। কিন্তু ডাইভারশনের বাঁশের সাঁকো বন্যায় ভেঙে যাওয়ার ফলে ৩ কিলোমিটার রাস্তা কালীমন্দির হয়ে ঘুরপথে খগেনহাট বাজারে যেতে হচ্ছে। ফলে হাটবাজার সহ ব্যাংক, পঞ্চায়েত অফিস, হেলথ সেন্টার, আরআই অফিস যেতে চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে মানুষকে। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে বয়স্ক মানুষদের।

ডাইভারশনের বাঁশের সাঁকো ভেঙে যাওয়ার বিপাকে বহু মানুষ| Uttarbanga Sambad | Latest Bengali News | বাংলা সংবাদ, বাংলা খবর | Live Breaking News North Bengal | COVID-19 Latest Report From Northbengal West Bengal India

ধনীরামপুর-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের খগেনহাট বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে চলা বারবাক নদীর ওপর পুরানো দুর্বল সেতু ভেঙে নতুন সেতু তৈরির কাজ চলছে। সেই মতো সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য একটি নদীর ওপর ডাইভারশন হিসাবে একটি বাঁশের সাঁকো বানিয়ে তৈরি করে দেওয়া হয়। কিন্তু গত সোমবারের ভারী বর্ষণের জেরে ডাইভারশন ভেঙে যায়। ফলে এই চরম ভোগান্তি হাত থেকে রক্ষা পেতে অবরোধ বলে জানাচ্ছেন এলাকাবাসী।

খগেনহাট বাজারের ব্যবসায়ী কমল রায় বলেন, ডাইভারশনের সাঁকোটি ভেঙে যাওয়ায় নদীর দুই পার আলাদা হয়ে গিয়েছে। ফলে এর প্রভাব পড়েছে ব্যবসার ওপর। গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান নিতাই দাস বলেন, নতুন সেতু তৈরি না হওয়া পর্যন্ত একটি শক্তপোক্ত ডাইভারশন তৈরি করা হবে। তবে সেটাই কয়েক দিন সময় লাগবে। তবে তার আগে শুক্রবার চলাচলের জন্য মাছ বাজারের দিকে বারবাক নদীর ওপর আরও একটি সাঁকো তৈরি করে দেওয়া হবে।