এতদিন অনেকে ভেবে এসেছেন, রোবট এলেই জীবনের সব সমস্যার সমাধান হয়ে গেল। রোবটই বোধহয় করে দেবে সব কাজ। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স জনপ্রিয় হওয়ার পর থেকে মানুষের আশা আরও বেড়ে গেল। কিন্তু এখন আশঙ্কাও

robot
robot

বাড়ছে। বিজ্ঞানীরাই বলছেন, ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডে যা যা সম্ভব, বাস্তবে কি তা সম্ভব? যেমন ধরা যাক, ডেলিভারি রোবট রাস্তা দিয়ে চলতে চলতে একটা ক্রসিংয়ে এসে পড়ল। সেখানে তখন হয়তো সাইরেন বাজাতে বাজাতে অ্যাম্বুলেন্স এসে পড়েছে। রোবট কি সাইরেন শুনে বুঝবে যে, তার দাঁড়িয়ে পড়া উচিত? আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কি তাকে এই জ্ঞান-বুদ্ধি দেবে? স্বচালিত গাড়িও কি এমন পরিস্থিতিতে নিজে নিজে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে? ফলে বিজ্ঞানী ও প্রযুক্তিবিদরা এখন ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডের জ্ঞান-বুদ্ধি ও দক্ষতাকে বাস্তব জগতে রূপান্তরের চেষ্টা করছেন। অ্যামেরিকার এমআইটি-র কম্পিউটার বিজ্ঞানী রামিয়া রামকৃষ্ণন ও তাঁর সহকর্মীরা রোবটকে ভার্চুয়াল ও বাস্তব জগতের ফারাক বোঝাতে এক ধরনের প্রশিক্ষণ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। মজার কথা হল, রোবটকে ভার্চুয়াল ও বাস্তব জগতের ফারাক বঝাবে মানুষই।