মার্কস প্রথা চালু করল জলপাইগুড়ি পুলিশ

শুভাশিস বসাক, ধূপগুড়ি : দেশ হোক বা রাজ্যস্তর ধূপগুড়ি থানার মতো সেরা থানা হিসেবে তৈরি করতে জেলার আটটি থানাকে নিয়ে মার্কস প্রথা চালু করল জলপাইগুড়ি জেলা পুলিশ। দুর্গাপুজোর আগে থেকেই এই মার্কস দেওয়ার প্রথা চালু করেছেন জেলা পুলিশ সুপার অভিষেক মোদি। তবে রাজ্য পুলিশের নির্দেশে সর্বত্রই এই প্রথা চালু করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই সমস্ত প্রক্রিয়াও শুরু করা হয়েছে। এবার রাজ্যের থেকে সেরা থানা হিসেবে মনোনয়ন চেয়ে পাঠানো হয়েছে। সেই কারণেই এই তোড়জোড় শুরু করা হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জলপাইগুড়ি জেলায় আটটি থানা রয়েছে। তার মধ্যে কোন থানায় আইনশৃঙ্খলা কীরকম রয়েছে, নারী, শিশু বা ঘটিত অপরাধ, পুরোনো বিভিন্ন কেসের তদন্তের নিষ্পত্তি সহ একাধিক বিষয়ে উপর মার্কস দেওয়া হচ্ছে। আটটি থানার মধ্যে কোন থানা কত মার্কস পেল তা ঠিক করে রাজ্য পুলিশের সদর দপ্তরের কাছে পাঠানো হবে। সেখান থেকে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে সেরা থানা বাছাই করা হবে। জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার আটটি থানাতেই অফিসার সংখ্যা আগের তুলনায় বাড়ানো হয়েছে। পাশাপাশি বিশেষ তদন্তকারী অফিসার ও পারিপার্শ্বিক কাজের জন্যেও অফিসারদের দাযিত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি নাকা চেকিং বাড়িয়ে একাধারে দুর্ঘটনা কমানো এবং অবৈধ চালকদের থেকে জরিমানা আদায়ে দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। সবটা নিয়ে সফলতা আসবে বলে ধারণা জেলা পুলিশের। প্রসঙ্গত, এর আগে অবশ্য রাজ্যে প্রথম ও দেশে চতুর্থ স্থান অধিকার করেছিল ধূপগুড়ি থানা। তবে এবারের প্রতিযোগিতা বা মার্কস ব্যবস্থা থেকে ধূপগুড়ি বাদ যাবে না। বরং তালিকাভুক্ত হয়ে কাজের ভিত্তিতে মার্কসও পাবে।

- Advertisement -

জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, পারিপার্শ্বিক নয়, অভ্যন্তরীণ বিষয়ে যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হবে। এর মধ্যে ওয়ারেন্ট রেজিস্ট্রার, জেনারেল ডায়ারি খাতা কীভাবে বজায় রেখে চলা হচ্ছে তাও খতিয়ে দেখা হবে। সব কিছুর উপরই যথেষ্ট গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এমনকি সব বিষয় যাতে ঠিকঠাকভাবে পালন করা হয় সেদিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া প্রতিটি থানা ও ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ে মাসে একাধিকবার বৈঠক করা হচ্ছে। প্রতিটি বৈঠকে জেলা পুলিশ সুপার নিজেই উপস্থিত থেকে থানার পরিস্থিতি এবং আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কে আলোচনা করেন। এ প্রসঙ্গে জেলা পুলিশ সুপার বলেন, রাজ্যের নির্দেশেই এই ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি মার্কসের ভিত্তিতে মনোনয়ন পাঠানো হবে। বাকি সিদ্ধান্ত রাজ্যের তরফেই নেওয়া হবে।