সুনীলরা নিয়ম ভাঙায় সুবিধা বাগানের

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা : অবশেষে স্থগিত হয়ে গেল এএফসি কাপের গ্রুপ ডির সব ম্যাচ। মাল ছেড়ে চলে যেতে বলা হয়েছে বেঙ্গালুরু এফসিকে। মালদ্বীপের কোভিড নিয়ম ভাঙ্গার অভিযোগ উঠেছে সুনীল ছেত্রীদের দলের বিরুদ্ধে। অভিযোগের তীর বিদেশি ফুটবলার ও কোচিং স্টাফদের দিকে। যার জেরে ক্ষমা চাইতে হয় দলের কর্ণধার পার্থ জিন্দালকে। গোটা ঘটনা নিয়ে মুখ খুলেছেন সেদেশের ক্রীড়ামন্ত্রী আহমেদ মাহলুফ থেকে বসুন্ধরা কিংসের কোচ অস্কার ব্রুঁজো পর্যন্ত সকলেই।

ঘটনা জানাজানি হয় রবিবার সকালে। আহমেদ মাহলুফই টুইট করে জানান, বেঙ্গালুরু এফসি মালদ্বীপের কোভিড প্রোটোকল ভেঙ্গেছে। যা কোনওভাবেই সহ্য করা হবে না। বেঙ্গালুরু যেন দ্রুত মালদ্বীপ ছেড়ে চলে যায়, নাহলে তাঁরা এর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করবেন। ঘটনা হল, দলের দুই বিদেশি ফুটবলার ও এক কোচিং স্টাফ বায়ো বাবল ছেড়ে রাস্তায় বেড়িয়ে এসে ছবি তোলার মতো অন্যায় কাজ করেন করোনা আবহে। ক্রীড়ামন্ত্রী জানান, তাঁরা মালদ্বীপ ফুটবল ফেডারেশনকে নির্দেশ দিয়েছেন বেঙ্গালুরু এফসিকে দেশে ফিরিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করতে। তিনি আরও বলেন, মেজিয়া স্পোর্টস ও মালদ্বীপ ঈগলস বায়ো বাবলের মধ্যেই রয়েছে। কিন্তু বেঙ্গালুরুর মতো পেশাদার দলের এই নিয়ম ভাঙ্গাটা অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা।

- Advertisement -

এরপরেই বিষয়টি গিয়ে পৌঁছয় কুয়ালালামপুরে এএফসির সদর দফতরে। দ্রুত পদক্ষেপ করে এএফসিই। এশিয়ান ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থার তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়, ১৪ থেকে ২১ মে পর্যন্ত হতে চলা এএফসি কাপের গ্রুপ ডি-এর ম্যাচগুলি স্থগিত করে দেওয়া হল। মালেতে আর এই ম্যাচগুলি হবে না। যে দলগুলি ইতিমধ্যেই মালদ্বীপে পৌঁছে গিয়েছে, তারা যেন দেশে ফিরে যায়। আর যারা যাওয়ার জন্য তৈরি হয়েছে, তাদেরও সফর বাতিল করতে বলা হয়।

তবে এসবের মাঝেই গোটা ঘটনায় উল্লসিত এটিকে মোহনবাগান। কারণ ভাঙ্গাচোরা দল ও বিনা প্রস্তুতিতে তারা একেবারেই যাওয়ার জন্য তৈরি ছিল না। এরকম একটা পরিস্থিতিতে ম্যাচ বাতিল হওয়ায়, লাভবান হল এখন আন্তোনিও লোপেজ হাবাসের দলই। যা অবস্থা তাতে ১৫ জুনের পর যদি এই ম্যাচগুলি দেওয়া হয় তাহলে আবারও একবার আয়োজনের আবেদন জানাতে পারেন সবুজ-মেরুন কর্তারা। কারণ এরকম একটা ঘটনার পর, ফের মালেতে ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনা খুবই ক্ষীন।