১০০ দিনের কাজে দলবাজির অভিযোগ

163

ঘোকসাডাঙ্গা: মাথাভাঙ্গা ২ ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় শুরু হয়েছে ১০০ দিনের কাজ। করোনা পরিস্থিতিতে কিছু সংখ্যক শ্রমিক নিয়ে লতাপাতা গ্রাম পঞ্চায়েতে শুরু হওয়া ১০০ দিনের কাজে এবার দলবাজির অভিযোগ উঠল। গুমানিহাট ৪৮ নম্বর বুথে নির্বাচিত বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যকে অন্ধকারে রেখে একশো দিনের কাজ হচ্ছে বলে অভিযোগ। এই অভিযোগে সোমবার গুমানিহাট এলাকায় অনেকে জমায়েত হন। কাজ নিয়ে শুরু হয় বচসা।

স্থানীয় গজেন দাস, জোৎস্না বর্মন জানান, তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ পাচ্ছেন না। অথচ যাঁরা কয়েকদিন আগেই কাজ পেয়েছিলেন তাঁদের আরও কাজ দেওয়া হচ্ছে। এই বিষয়ে পঞ্চায়েত সদস্য তাপস বর্মন জানান, তিনি বিজেপির নির্বাচিত পঞ্চায়েত সদস্য। বিধানসভা ভোটের পর গ্রাম পঞ্চায়েতে সকল পঞ্চায়েত সদস্য এবং অফিস কর্মীদের নিয়ে বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়, এলাকায় তদারকি করবে সেই এলাকার পঞ্চায়েত সদস্য। গতকাল তার এলাকায় ১০০ দিনের কাজ শুরু হয়েছে। দেখা যাচ্ছে তৃণমূল কর্মীদের কাজ দেওয়া হয়েছে। পঞ্চায়েত সদস্য জানান, তিনি প্রধান, উপ-প্রধানের সঙ্গে কথা বললে তাঁদের এই বিষয়ে কিছু জানা নেই বলে জানানো হয়। যেহেতু গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস বন্ধ, গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান কাজ বন্ধ করতে বলেছেন তাই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিনোদা বর্মন জানান, তিনি কাজ বন্ধ করতে বলেননি। কি সমস্যা হয়েছে বোঝা যাচ্ছে না। অফিস খুললে আলোচনা করে সমস্যার সমাধান করা হবে। একসঙ্গে সবাইকে কাজ দেওয়া সম্ভব নয়। পাশাপাশি তিনি জানান, যাঁদের জব কার্ড রয়েছে তাঁদের প্রত্যেককেই ধাপে ধাপে কাজ দেওয়া হবে।

- Advertisement -

এই বিষয়ে লতাপাতা অঞ্চল তৃণমূল যুব কংগ্রেস সভাপতি আনন্দ বর্মন জানান, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে কার্যত লকডাউন পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষের জন্য একশো দিনের কাজ শুরু হয়েছে। সাধারণ মানুষকে বঞ্চিত করতে সমস্যা সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন পঞ্চায়েত সদস্য সহ বিজেপি কর্মীরা।