ঠাকুরনগর থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সিএএ’এর বার্তা দিক, দাবি শান্তনু ঠাকুরের

205

গোপালনগর: সম্প্রতি নাগরিক আইন লাগু না হওয়া নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর। এরপরই থেকেই প্রকাশ্যে নিজের স্থান আড়াল করতে শুরু করেন শান্তনু। দলের সাথে দূরত্ব তৈরি হওয়া নিয়ে শুরু হয়েছিল নানা জল্পনা। কিন্তু সব জল্পনার অবসান ঘটিয়ে বিজেপি সাংসদের মানভঞ্জনে মতুয়া গড়ে হাজির হলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। আর সেই বৈঠকে শান্তনু দাবি করেন, ঠাকুরনগর থেকেই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যেন সিএএ’এর বার্তা দেন।

সাংসদ শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেন বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়। বৈঠক শেষে কৈলাস বলেন, ‘মতুয়া সমাজ বিজেপির সঙ্গেই রয়েছেন৷ নাগরিক আইন কবে প্রয়োগ হবে, নিয়মকানুন কী হবে তা নিয়ে দু’জনের মধ্যে আলোচনা হয়েছে।’ যদিও শান্তনু বলেন, ‘আমরা চাই স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসে এই আইন কবে চালু হবে সে বিষয়ে ঘোষণা করুন৷’

- Advertisement -

উল্লেখ্য, গত বুধবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোপালনগরে এসে ঘোষণা করেন, মতুয়ারা সবাই নাগরিকের সম্মান পাবেন। মুখ্যমন্ত্রীর সেই কথা প্রসঙ্গে শান্তনুর অভিযোগ, নিজে সংবিধান জেনেও মুখ্যমন্ত্রী এসব কথা বলে মতুয়া সমাজকে বিভ্রান্ত করছেন। শান্তনু বলেন, ‘মতুয়াদের দাবি আদায়ের জন্যই আমার রাজনীতিতে আসা ও ভোটে দাঁড়ানো। আমার কাছে সর্বাধিক গুরুত্ব মতুয়াদের দাবি আদায় করাটা। একথা আগেও বলেছি এখনও বলছি। যতক্ষণ না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসে সিএএ প্রয়োগের কথা ঘোষণা করছেন, ততক্ষণ আমাদের আন্দোলন চলবে। কৈলাসজিকে অনুরোধ করেছি যাতে জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এখানে আসেন৷’