বাতাসে দূষণের জেরে প্রাণঘাতী রূপ নিতে পারে সামান্য জ্বরও

64

ডিজিটাল ডেস্ক, উত্তরবঙ্গ সংবাদঃ শুধু রাজধানী শহর দিল্লি নয়, আজ বায়ু দূষণের চিন্তায় জেরবার কলকাতা সহ রাজ্যের বিভিন্ন শহর। কোথাও বেশি, কোথাও কম। দীপাবলি পেরোতেই সর্বত্রই দূষণের মাত্রা বেড়েছে বাতাসে। আর তাই এ বিষয় নিয়ে বিশেষজ্ঞ মহলের কপালে চিন্তার ভাঁজ। করোনা পরিস্থিতিতে এই দূষণ মারাত্মক আরও রূপ নিতে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। প্রভাব বিস্তার করতে পারে ভাইরাল জ্বরও। সেই কারণে অবশ্যই সতর্কতা অবলম্বন জরুরি বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা।

বাতাসে দূষণের মাত্রা বাড়লে শরীরে প্রতি বাড়তি খেয়াল রাখা প্রয়োজন। সামান্য জ্বর, মাথা ব্যথা, বুকে কফ জমা কিংবা অ্যালার্জির মতো সমস্যাগুলি হালকাভাবে নেওয়া চলবে না। বাতাসে দূষণের ফলে, এই সমস্ত শারীরিক অসুস্থতা আরও ভয়ংকর রূপ নিতে পারে। সর্বক্ষণ আচ্ছন্নভাব কিংবা ক্লান্তি বেশি হলেও, ভয়ের কারণ আছে বলে মনে করা হয়ে থাকে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে।

- Advertisement -

অতিরিক্ত দূষণ প্রভাব ফেলছে স্বাস্থ্যেও। বাতাসে দূষণের মাত্রা বাড়লে, সরাসরি প্রভাব ফেলে শরীরের অক্সিজেনের মাত্রার উপর। ফলে, ব্যাক্টিরিয়াল ও ভাইরাল ইনফেকশনের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। নিউমোনিয়া, ব্রঙ্কাইটিস, টিবি রোগ সহ একাধিক রোগ সহজেই শরীরে বাসা বাঁধতে সক্ষম হয়। করোনাকালে এমন রোগ, ভয়াবহ প্রভাব ফেলে। এরফলে প্রাণহানির ঘটনাও অমূলক নয় বলে দাবি করা হয়েছে একটি রিপোর্টে।

বাতাসে দূষণের মাত্রা বাড়লে নেওয়া যেতে পারে বাড়তি সতর্কতা৷ হতে হবে আরও সাবধান। অতিমারী পরিস্থিতিতে ফেস মাস্ক ব্যবহার সকলকেই করতেই হচ্ছে। বায়ু দূষণ থেকে বাঁচতেও এই মাস্ক অনেকটা সাহায্য করবে। তবে, কোন ধরণের মাস্ক ব্যবহার বেশি কার্যকরি, তা জেনেই ব্যবহার করা উচিত। খোঁজ নিয়ে এলাকার বাতাসে দূষণের মাত্রা বেশি থাকলে, খুব প্রয়োজন ছাড়া বাড়ি থেকে না বেরোনই শ্রেয়।

একইসঙ্গে, বাড়ির আশেপাশে অ্যালোভেরা এবং স্নেক প্ল্যান্টের মতো গাছ লাগানো যেতে পারে। এই গাছগুলি রাতেও অক্সিজেনের জোগান দিয়ে থাকে। তাই, বাতাসে অক্সিজেনের সরবরাহ মোটামুটি সবসময়ই ভালো থাকে। এরপরও যদি নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের ক্ষেত্রে সমস্যা হয় কিংবা জ্বর ভাব অনুভব হয় তবে, অবশ্যই অভিজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শই একমাত্র সহায়তা করতে পারবে৷