ম্যাড-ম্যাক্সের প্রশংসায় এবিডি

মুম্বই : তাঁদের দুজনের ব্যাটিংয়ের ধরন অনেকটা একইরকম। আগ্রাসন তাঁদের দারুণ পছন্দ। তাই গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে ব্যাটিং দারুণ উপভোগ করছেন তিনি।

ইয়োন মরগ্যানের দলের বোলারদের বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আক্রমণে যাবেন, এমন পরিকল্পনা নিয়ে তিনি মাঠে নেমেছিলেন। বাস্তবে সেটা করেও দেখিয়েছেন।

- Advertisement -

আপাতত নিজের পারফরমেন্সে তিনি সন্তুষ্ট। কিন্তু এখানেই শেষ নয়। আগামীদিনে তিনি নিজেকে আরসিবির হয়ে আরও উজাড় করে দিতে চান।

বক্তার নাম এবি ডিভিলিয়ার্স। পরিচয়ের কোনও প্রয়োজন নেই। ক্রিকেট দুনিয়ায় তাঁকে বলা হয়, মিস্টার ৩৬০ ডিগ্রি। ব্যাট হাতে এমন সব শট তিনি খেলেন, যা বোলারের রাতের ঘুম কেড়ে নেওয়ার জন্য যথেষ্ট। এভাবেই গতকালের কেকেআর ম্যাচে বরুণ চক্রবর্তী, আন্দ্রে রাসেলদের উপর চড়াও হয়েছিলেন এবিডি। ফল কী হয়েছে, সবারই জানা। ডিভিলিয়ার্সের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন নিয়ে জল্পনা চলছে। দক্ষিণ আফ্রিকার কোচ মার্ক বাউচারের সঙ্গেও এব্যাপারে তাঁর কথা হয়েছে। অক্টোবরের টি২০ বিশ্বকাপ তিনি খেলবেন কি না, সিদ্ধান্ত এখনও চূড়ান্ত করেননি এবিডি।

হয়তো ঘনিষ্ঠ বন্ধু বিরাট কোহলির হাতে প্রথম আইপিএল ট্রফি তুলে দিয়ে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে কামব্যাকের ঘোষণা করবেন তিনি। খেলবেন টি২০ বিশ্বকাপেও। তার আগে জয়ের হ্যাটট্রিক করে লিগ টেবিলের শীর্ষে পৌঁছে যাওয়া রয়্যালদের তারকা ডিভিলিয়ার্স গতরাতে চিপক স্টেডিয়ামে সতীর্থ যুযবেন্দ্র চাহালকে আরসিবির সোশ্যাল দুনিয়ায় সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। ডিভিলিয়ার্স বলেন, গত কয়েক মাস কঠোর পরিশ্রম করেছি। অনুশীলনে খামতি রাখিনি আমি। এখনও পর্যন্ত নিজের খেলায় সন্তুষ্ট। কিন্তু দলের জন্য আরও ভালো খেলতে চাই।

কোহলির দলের জন্য নিজেকে উজাড় করে দেওয়ার প্রতিজ্ঞার পাশে সতীর্থ ম্যাক্সওয়েলকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন এবিডি। তাঁর কথায়, আমাদের ব্যাটিংয়ের ধরন, ভাবনা অনেকটা একইরকম। আমি ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে ব্যাটিং উপভোগ করছি। গতকাল চেন্নাইয়ে প্রবল গরম ছিল। যখন আমি ব্যাট করতে নামি, ম্যাক্সওয়েল অনেকটা ক্লান্ত হয়ে গিয়েছিল। তাই আমরা সিঙ্গলস কম নিয়ে বড়ো শট খেলার কথা ভেবেছিলাম।

এই পরিকল্পনা থেকে ম্যাক্সওয়েল ফেরার পর নিজের ব্যাটিং গিয়ার আর বদল করেননি তিনি। ডিভিলিয়ার্সের কথায়, দুর্দান্ত জয় পেয়েছি আমরা। এই ছন্দ ধরে রাখতে হবে আমাদের। গতকালের ম্যাচে যখন ব্যাট করতে নামি, বরুণ নেগেটিভ বোলিং করছিল। তাই সরাসরি আক্রমণের পথে গিয়েছিলাম আমি। পরে রাসেল যখন বল করতে এল, তখনও একই কাজ করেছি।