রসাখোয়ায় চিকিৎসা পরিষেবাই ভোটের ইস্যু

91

করণদিঘি: তৃণমূল সরকারের শাসনকাল দশ বছর পেরিয়ে গেলেও চিকিৎসা পরিষেবার হাল এখনও বদলায়নি। ক্ষমতায় আসার আগে করণদিঘি ও রসাখোয়ার চিকিৎসা ব্যবস্থা সাজানোর প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি। তা নিয়ে বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ দীর্ঘদিনের। আর চিকিৎসা পরিষেবার এই বেহাল দশা আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে অন্যতম ইস্যু হয়ে উঠেছে।

রসাখোয়া এলাকাটি দুটি গ্রামপঞ্চায়েত নিয়ে গঠিত। প্রায় চল্লিশটি গ্রামের দুই লক্ষ বাসিন্দা হাসপাতালের উন্নত পরিষেবা থেকে বঞ্চিত। এখানে চিকিৎসা পরিকাঠামোর তেমন কোনও উন্নতি হয়নি। বাসিন্দাদের অভিযোগ, জরুরি কারণে রোগীকে রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ বা ইসলামপুর মহাকুমা হাসপাতালে নিয়ে যেতে হয়। অনেক সময় হাসপাতালে পৌঁছনোর আগেই রোগীর মৃত্যু হয়। অথচ স্বাস্থ্য পরিষেবা সাজানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিধানসভা ভোটে জিতে ছিলেন বিদায়ি তৃণমূল বিধায়ক মনোদেব সিনহা। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে হাসপাতালের পরিকাঠামো তৈরির ব্যাপারে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা ফের বাসিন্দাদের প্রতিশ্রুতি দিতে শুরু করেছেন। ফলে ক্ষোভে ফুঁসছেন গ্রামবাসীরা।

- Advertisement -

বিজেপি জেলা সভাপতি বিশ্বজিৎ লাহিড়ী বলেন, ‘ভোটের আগে তৃণমূল রসাখোয়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রটিকে স্টেট জেনারেল হাসপাতাল উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোট নিয়েছে। কিন্তু কাজের কাজ কিছুই হয়নি। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে আমরা ক্ষমতায় আসলে রসাখোয়া স্বাস্থ্য কেন্দ্রটিকে স্টেট জেনারেল হাসপাতালে উন্নত করব।‘

সিপিএমের জেলা সম্পাদক অপূর্ব পাল বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় থাকার সময় রসাখোয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্রটির যা উন্নয়ন করেছি। তৃণমূল সরকার আসার পর কোনও উন্নয়ন হয়নি।‘

কংগ্রেসের জেলা সভাপতি মোহিত সেনগুপ্ত বলেন, ‘এই ১০ বছরে শুধু রসাখোয়া নয় উত্তর দিনাজপুর জেলাজুড়ে বিভিন্ন ব্লক ও গ্রামীণ হাসপাতালগুলির বেহাল অবস্থা।‘

তৃণমূলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, ‘করণদিঘি ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় স্বাস্থ্য কেন্দ্র গুলি যা উন্নয়ন হয়েছে তা তৃণমূলের আমলেই।’