কোথায় কীভাবে মেডিকেল কলেজ? খতিয়ে দেখলেন স্বাস্থ্য ভবনের প্রতিনিধিরা

179

জলপাইগুড়ি: জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজের চিহ্নিত করা অস্থায়ী পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শনিবার পরিদর্শনে এল স্বাস্থ্য ভবনের একটি প্রতিনিধি দল। একইসঙ্গে প্রতিনিধিরা স্থায়ী পরিকাঠামোর জমিও ঘুরে দেখেন। পরে জেলার স্বাস্থ্য কর্তাদের সঙ্গে একটি বৈঠক করেন প্রতিনিধি দলের সদস্যরা। এদিন স্বাস্থ্য ভবন থেকে ওয়েস্ট বেঙ্গল মেডিকেল সার্ভিস কর্পোরেশন লিমিটিডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর অভিরূপ বোসের নেতৃত্বে ছয় সদস্যের প্রতিনিধি দল জলপাইগুড়িতে আসে। জানা গিয়েছে, মেডিকেল কলেজের অস্থায়ী পরিকাঠামোর কাজ খতিয়ে দেখে তাঁরা খুশি। ২০২২ সাল থেকেই এই মেডিকেল কলেজে ছাত্র ভর্তির কাজ শুরু হয়ে যাবে।

জলপাইগুড়িবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি একটি মেডিকেল কলেজের। ২০১৭ সালে জলপাইগুড়িতে এসে মেডিকেল কলেজের কথা ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পরেই মেডিকেল কলেজের জন্য জমি চিহ্নিত করণ হয়। জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতাল এবং সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল সংলগ্ন ফাঁকা জমিতে হাসপাতাল তৈরির সিদ্ধান্ত হয়।

- Advertisement -

গত বছর সেপ্টেম্বর মাসে শিলিগুড়ির উত্তরকন্যা থেকে জলপাইগুড়ি মেডিকেল কলেজের শিলান্যাস করেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অপরদিকে, মেডিকেল কলেজ তৈরির জন্য টেন্ডার প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। সব ঠিক থাকলে অগাস্ট মাসেই স্থায়ী পরিকাঠামোর কাজ শুরু হবে। কিন্তু স্থায়ী পরিকাঠামোর অপেক্ষায় না থেকে রাজ্য সরকার অস্থায়ী পরিকাঠামোতে মেডিকেল কলেজ চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সম্প্রতি এই সিদ্ধান্ত মন্ত্রীসভার বৈঠকেও পাস হয়ে গিয়েছে। রাজ্য সরকারের অনুমোদন মিললেও মেডিকেল কাউন্সিলের ছাড়পত্র পাওয়াটাও জরুরি। যার জন্য অস্থায়ী পরিকাঠামোতে কোথায় কীভাবে এই মেডিকেল কলেজ হবে, তা খতিয়ে দেখে স্বাস্থ্য ভবনের দলটি।

স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, স্বাস্থ্য দপ্তরের বর্তমান প্রসাশনিক ভবনের একটি ঘরকে মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষের ঘর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা হাসপাতালের ফাঁকা কিছু বিল্ডিং এবং সরকারি ভবনকেও অস্থায়ী মেডিকেল কলেজের অস্থায়ীভাবে ব্যবহার করা হবে। উত্তরবঙ্গে করোনা মোকাবিলায় বিশেষ দায়িত্বপ্রাপ্ত আধিকারিক সুশান্ত রায় বলেন, ‘আমরা প্রতিনিধি দলকে সমস্ত পরিকাঠামো ঘুরিয়ে দেখিয়েছি। ওরা খুশি।’