স্বাস্থ্যসাথী থেকেও মিলছে না চিকিৎসা, স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন পরিবারের

257

হরিশ্চন্দ্রপুর: স্বাস্থ্য পরিষেবার হাল ফেরানোর লক্ষ্যে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড চালু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্বয়ং লাইনে দাঁড়িয়ে তুলেছেন স্বাস্থ্যসাথী কার্ড। বারবার বার্তা দেওয়া হয়েছে এই কার্ডে বেসরকারি ক্ষেত্রেও মিলবে বিনামূল্যে চিকিৎসা। কিন্তু বাস্তবে ঘটছে তার উলটো। এবার স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকা সত্ত্বেও চিকিৎসা পরিষেবা না পাওয়ার অভিযোগ উঠল মালদার হরিশ্চন্দ্রপুরে। সরকারি থেকে বেসরকারি সমস্ত হাসপাতালে ঘুরে ঘুরেও চিকিৎসা পরিষেবা থেকে বঞ্চিত হলেন অসুস্থ পিংকি দাস (২৪)। চিকিৎসা না পেয়ে সপরিবারে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন করেছেন পিংকিদেবী। এই চিত্রই ধরা পড়ল হরিশ্চন্দ্রপুর থানা এলাকার বারোডাঙ্গা গ্রামে।

যেখানে রাজ্য সরকারের তরফে বলা হয়েছে স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলে ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাওয়া যাবে। সেখানে প্রায় একমাস ধরে বিভিন্ন হাসপাতালে ঘুরেও পরিষেবারক ছিটেফোঁটা পাননি পিংকিদেবী। স্বামীর অত্যাচারে শ্বশুরবাড়ি ছেড়ে দুই সন্তানকে নিয়ে বেশ কয়েকবছর ধরেই রয়েছেন বাবার বাড়িতে। বাবা দীপক দাস, পেশায় ভ্যানচালক। মা লক্ষ্মী দাস, দিনমজুর। বাধ্য হয়েই মেয়ের চিকিৎসার জন্য বিডিওর দ্বারস্থ হয়েছে অসহায় ওই পরিবার। চিকিৎসা না পেলে প্রশাসনের মাধ্যমে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সপরিবারে স্বেচ্ছামৃত্যুর আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা। আর এই ঘটনাকে ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। তৃণমূলকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। পালটা জবাব দিয়েছে তৃণমূল।

- Advertisement -

পিংকি দাস জানান, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড থাকলেও চিকিৎসা পাচ্ছি না। পিংকিদেবীর মা লক্ষ্মী দাসের কথায়, মেয়েকে শ্বশুরবাড়ি ও স্বামী দেখেনা। চিকিৎসা করার মত সামর্থ্য নেই। ব্লকে বিডিওর কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। প্রশাসন এবং সংবাদ মাধ্যমের দ্বারা মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে আবেদন জানানো হয়েছে যাতে মেয়েটা বাঁচে।যদিও এনিয়ে প্রশাসনের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।