গাজোলে একশো দিনের কাজ প্রকল্প নিয়ে বৈঠক

284

গাজোল: একশো দিনের কাজ প্রকল্পের মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষদের হাতে টাকা দিতে চাইছে রাজ্য সরকার। তাই বিভিন্ন জেলার প্রশাসনিক কর্তারা প্রকল্পের কাজ শুরুর জন্য তোড়জোড় শুরু করেছেন।

শনিবার গাজোল অন্নদাশঙ্কর সদনে একশো দিনের কাজ প্রকল্প নিয়ে বৈঠক হয়। এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র, মহকুমা শাসক (সদর) সুরেশ রানো, গাজোলের বিডিও নবীনকুমার চন্দ্রা, হবিবপুরের বিডিও শুভজিৎ জানা, গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেজিনা পারভিন,হবিবপুর পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি ত্রিদিব রায় সহ দুই ব্লকের গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান এবং নির্মাণ সহায়করা। সভাতে জেলাশাসক সহ অন্যান্যরা ১০০ দিনের কাজ এবং বাংলা আবাস যোজনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

- Advertisement -

সভাশেষে জেলাশাসক রাজর্ষি মিত্র বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পকে চালিয়ে নিয়ে যেতে হবে। ১০০দিনের কাজ প্রকল্পের কাজ করার জন্য গাজোল এবং হবিবপুর ব্লকের বেশ ভালো জায়গায় রয়েছে। বহু পরিযায়ী শ্রমিক বাইরে থেকেও ফিরেছেন। তাঁদের নিয়ে সরকারি নির্দেশিকা মেনে কাজ করা হবে।

মহকুমা শাসক সুরেশ রানো বলেন,মানুষের হাতে কাজ নেই, মানুষকে কাজ দিতে হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিভিন্ন শিল্প এবং কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা ১০০ দিনের কাজ প্রকল্পের মাধ্যমে সমস্ত মানুষকে কাজ দিতে চাই। এর ফলে গ্রামের গরিব মানুষরা কাজ পাবেন, তেমনি সম্পদ সৃষ্টিও হবে।

গাজোল পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি রেজিনা পারভিন বললেন, গাজোল ব্লকের কাজ নিয়ে আলোচনা হয়েছে। বেশকিছু গ্রাম পঞ্চায়েত কাজ শেষ করতে পারেনি। কেন শেষ করতে পারেনি তা নিয়ে তাঁদের কাছে কৈফিয়ৎ চাওয়া হয়েছে। সচেতনও করা হয়েছে। কাজের শেষে শ্রমিকরা যাতে দ্রুত টাকা পেয়ে যান সে বিষয়েও আলোচনা হয়েছে। কারণ, শ্রমিকরা দ্রুত টাকা পেলে গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা হবে। আগামী ২৭ মে বাংলা আবাস যোজনার সাপ্তাহিক দিবস পালন করা হবে বলেও জানান তিনি।

হবিবপুরের বিডিও শুভজিৎ জানা বললেন, ব্লকের ১১টি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রায় ১০ হাজার শ্রমিক রয়েছেন। গ্রাম পঞ্চায়েত গুলিকে সমস্ত শ্রমিকেই কাজে লাগাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সকলেই সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং মাস্ক পরে কাজ করবেন।