ক্ষতিপূরণ নিয়ে টানাপোড়েন, মহাসড়কের জমিজট কাটল না দীর্ঘ বৈঠকেও

150

রাজগঞ্জ: প্রশাসনিক বৈঠকেও ফুলবাড়ির মহাসড়কের জমিজট কাটল না। ফলে প্রায় দুই বছর থেকে ফুলবাড়ি এলাকায় থমকে থাকা ৫ কিলোমিটার মহাসড়কের কাজ শুরু হওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা জিইয়ে রইল। বুধবার ফুলবাড়ির জমিজট নিয়ে গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে প্রশাসনিক বৈঠক করা হয়। বৈঠকে রাজ্য সরকারের তরফে প্রশাসনের আধিকারিকরা এবং জাতীয় মহাসড়ক কর্তৃপক্ষের আধিকারিকরা উপস্থিত ছিলেন। দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হলেও জমিজট কাটেনি।

মহাসড়কের নির্মাণের জন্য ফুলবাড়ি এলাকার দুই শতাধিক পরিবার জমি দিয়েছে। কিন্তু মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ জমি দাতাদের যে ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে তা মনমতো না হওয়ায় জমি দাতারা সম্প্রতি বেঁকে বসেছেন। ফলে দু বছর ফুলবাড়ি ব্যারেজ থেকে জটিয়াকালি পর্যন্ত ৫ কিলোমিটার মহাসড়ক নির্মাণের কাজ থমকে রয়েছে। বেশ কয়েকজন জমিদাতা হাইকোর্টে মামলা করেছেন। পরবর্তীতে জমির মূল্য নির্ধারণের জন্য আর্বিট্রেশনে আবেদন করা হয়। ওই আবেদনের ভিত্তিতে আর্বিট্রেশন কর্তৃপক্ষ একটি মূল্য নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কিন্তু হাইওয়ে কর্তৃপক্ষ তা মানতে রাজি নয়। ফলে রাস্তার কাজ থমকে রয়েছে। সমাধানের উদ্দেশ্যে এদিন ফুলবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত কার্যালয়ে জমিদাতাদের উপস্থিতিতে প্রশাসনিক বৈঠক করা হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জলপাইগুড়ির অতিরিক্ত জেলা শাসক (ভূমি সংস্কার বিভাগ) রঞ্জনকুমার চক্রবর্তী, ল্যান্ড অ্যাকুইজিশন অফিসার পিনাকী সেনগুপ্ত, এনএইচএআই-এর এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার রাজীব কুমার, বিডিও এনসি শেরপা, বিএলএলআরও রূপকচন্দ্র ভাওয়াল, জেলা পরিষদের সদস্য দেবাশিস প্রামাণিক ও গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান দিলীপ রায়। দীর্ঘক্ষণ আলোচনা হলেও মহাসড়ক কর্তৃপক্ষ আর্বিট্রেশনের নির্ধারিত মূল্য দিতে রাজি না হওয়ায় জমিজট রয়ে গেল।

- Advertisement -