হিলি-তুরা করিডরের দাবি নিয়ে সভা বালুরঘাটে

66

বালুরঘাট, ১২ জানুয়ারিঃ বিজেপি সাংসদের তরফে সাফল্য দাবি করে পোস্টার দিতেই, পথে নামল হিলি-মেঘালয় তুরা কমিটি। বালুরঘাট পৌরসভার সুবর্ণতট মিটিং হলে মঙ্গলবার মেঘালয়ের তুরা থেকে বালুরঘাটের হিলি করিডরের দাবিতে আন্দোলনরত জয়েন্ট মুভমেন্ট কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। ২০১২ সাল থেকেই এই কমিটির তরফে সংশ্লিষ্ট করিডরের দাবি তোলা হয়েছে। বিভিন্ন জায়গায় যোগাযোগ করে আন্দোলন ও দাবি-দাওয়া পেশ করা শুরু হয়। যদিও, এই প্রসঙ্গে বিজেপির বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার কোনও বক্তব্য দিতে রাজি হননি।

গত বছর ডিসেম্বর মাসের ১৭ তারিখ দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ভার্চুয়াল মিটিংয়ে এই করিডর নিয়ে আলোচনা হয়। তারপর থেকেই হিলিতে ও বালুরঘাটে আন্দোলনরত জয়েন্ট কমিটির সদস্যরা আশায় বুক বাঁধতে শুরু করেছিলেন। এরইমধ্যে শহরজুড়ে সাংসদ সুকান্ত মজুমদারের নামে বড় বড় হোর্ডিং দেওয়া হয়। এই হোর্ডিং পোস্টারগুলো দিয়েছিল নাগরিক সমাজ। এরপরই জয়েন্ট মুভমেন্ট কমিটির আজকের এই বৈঠক যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। প্রস্তাবিত এই করিডর নিয়ে দুই দেশের শীর্ষ নেতার মধ্যে আলোচনা হওয়ার কৃতিত্ব কার, তা নিয়েও বালুরঘাটে দর কষাকষি শুরু হয়েছে।

- Advertisement -

কমিটির আহ্বায়ক নবকুমার দাস বলেন, কোনও আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ নয়, দীর্ঘদিনের আন্দোলন দাবি ও নানা পথ পেরিয়ে আজকের এই জায়গায় পৌঁছেছে করিডরের ভবিষ্যৎ। এখানে কারও ব্যক্তিগত কোনও উদ্দেশ্য নেই। প্রান্তিক এই জেলার উন্নয়নই একমাত্র লক্ষ্য। বালুরঘাটের হিলি থেকে মেঘালয়ের মহেন্দ্রগঞ্জ তুরার সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন হলে, মাত্র ৮৬ কিলোমিটার রাস্তা পেরিয়ে পৌঁছে যাওয়া যাবে মেঘালয়। উত্তর-পূর্বের দেশগুলির সাথে যোগাযোগ বাড়বে ভারতের। করিডর সংক্রান্ত আলোচনা হবে বুধবারের বৈঠকেও। সেখানেও যাতে হিলি-তুরা করিডরকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়, তানিয়েও দাবি করেছেন কমিটির সদস্যরা।