চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্তাদের বৈঠক

562

গৌতম সরকার, চ্যাংরাবান্ধা: ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে চোরাকারবার ও অপরাধমূলক কাজকর্ম রুখতে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনী একে অপরকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেবেন। বৃহস্পতিবার কোচবিহার জেলার চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে বিএসএফ এবং বিজিবি অর্থাৎ বাংলাদেশ বর্ডারগার্ড কর্তাদের মধ্যে অনুষ্ঠিত একটি বৈঠকে এমনটাই আশ্বাস দিলেন উভয় দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর আধিকারিকরা।

বিএসএফ সূত্রে জানা গিয়েছে, সীমান্তের চোরাচালান, নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করতেই এদিন চ্যাংরাবান্ধা সীমান্তে একটি বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছিল। এই সীমান্তের বিএসএফের ১৪৮ নং ব্যাটেলিয়নের অধীনস্থ ৮৪২ নম্বর পিলার এলাকায় এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। তার আগে চ্যাংরাবান্ধা ইমিগ্রেশন চেকপোস্টে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর তরফে বিজিবি কর্তাদের স্বাগত জানানো হয়। বৈঠকে বিএসএফের জলপাইগুড়ি সেক্টরের ডিআইজি সঞ্জয় পন্থ, বিজিবির রংপুর সেক্টর কমান্ডার কর্নেল অরিফিন তালুকদার সহ উচ্চপদস্থ কর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

- Advertisement -

জানা গিয়েছে, বৈঠকে সীমান্তে বিভিন্ন সময়ে গোরু পাচার, মাদক পাচার, মানব পাচার সহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজকর্মের বিষয়গুলি উঠে আসে। সেই বিষয়গুলি নিয়ে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কর্তারাই গুরুত্ব দিয়ে আলোচনা করেন। পাশাপাশি এগুলি পুরোপুরি বন্ধ করতে তাঁরা আরও সতর্ক থাকবেন বলেও জানিয়েছেন। এদিন সীমান্ত সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ে আলোচনা করা হয়েছে। বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছে বলে বিএসএফের তরফে দাবি করা হয়েছে। বিজিবি কর্তারা এদিন চ্যাংরাবান্ধা চেকপোস্ট দিয়ে বুড়িমারি সীমান্ত থেকে এপারে আসেন। বৈঠক শেষে আবার ফিরে যান। এদিন এই উপলক্ষ্যে সীমান্ত চেকপোস্ট এলাকায় বিএসএফের কড়া নজরদারি ব্যবস্থা চোখে পড়েছে। যদিও সীমান্তে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে প্রায়ই এই ধরণের বৈঠকের আয়োজন করা হয় বলেও বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে।